পৃষ্ঠাসমূহ

প্রচন্ড ভিড়ের বাস

বাসে প্রচন্ড ভিড়। বাসের ভিতর ভরে গিয়ে গেটের বাইরেও সবাই ঝুলছে। এমন সময় একজন লোক উঠার চেষ্টা করতেই বাসের ভেতরের সবাই চিৎকার করে, 
"খবরদার আর একটা লোকও উঠতে পারবে না।"
- কিন্তু আমাকে যে উঠতেই হবে।
- দেখতে পাচ্ছিস না? ভিতরে কোনো জায়গা নেই......
- কিন্তু আমাকে রেখে আপনারা কেউই যেতে পারবেন না তো...
- তুমি কোন নবাবের বাচ্চা যে তোমাকে উঠতেই হবে?
-
-
-
-
-
-
- নবাবের বাচ্চা না, আমি এই বাসের ড্রাইভার।

সবাই ফায়ার সার্ভিসের কর্মী


এক দোকানে আগুন লেগেছে।
এটা দেখে আবুল চিন্তা করল,
দোকানের ভেতর আটকে পড়াদের উদ্ধার
করতে হবে।

তো যেই ভাবা সেইকাজ।
আবুল সোজা আগুন পেরিয়ে দোকানের ভেতর ঢুকে ছয়জনকে বাইরে বের করে আনল।
কিছুক্ষণ পর পুলিশ এসে গাবলুকে ধরে নিয়ে গেল।
পরে তার বন্ধু থানায় গিয়ে পুলিশকে জিজ্ঞেস করল,
‘আবুল তো আগুন থেকে মানুষকে উদ্ধার করেছে।
সে তো কোনো অপরাধ করেনি।’
কথা শুনে পুলিশ রেগে আগুন , ‘অপরাধ করেনি মানে ?
সে যাদের দোকান থেকে বাইরে নিয়ে এসেছে,
সবাই ফায়ার সার্ভিসের কর্মী।’

"না না না প্লিজ, আমি ব্যস্ত আছি"


একটা লোক পাবলিক টয়লেটে বসে ছিল।
হঠাৎ করে পাশের টয়লেট থেকে শব্দ
আসলো,
"মিয়া ভাই কেমন আছেন?"
লোকটি অবাক হয়ে বলল," হ্যা আমি ভাল
আছি। আবার শব্দ আসলো, "কি করছেন ভাই?"
সে চিন্তিত হয়ে উত্তর দিল, "এইতো ভাই কমোড এ বসে আছি।"
পাশের টয়লেট থেকে আবার বলল, "আমি কি আসতে পারি?"
লোকটি ঘাবড়ে গেল এবং বলল, "না না না প্লিজ, আমি ব্যস্ত আছি"
আবার কন্ঠ শোনা গেল, "আচ্ছা ভাই আমি আপনাকে ৫ মিনিট পরে আবার ফোন দিচ্ছি,
কোন গাধা জানি আবার সব কথার
উত্তর দিয়া আমার লগে ফাইজলামি করতাসে |

৩ কুত্তা

একবার ৩টা কুত্তা এক বিয়ে বাড়ির পাশ দিয়া যাচ্ছিলো। তারা ঠিক করলো তারা বিয়ে খাবে। তো তার ঠিক করলো একজন একজন করে যাবে। প্রথম কুত্তাটা গেলো যাওয়ার সাথে সাথে বাবুর্চি তাকে দেখে লাঠি দিয়ে বাড়ি মারলো। ফিরে আশার পর অন্য কুকুর গুলো তাকে জিজ্ঞেস করলো কিরে কেমন আপ্যায়ন করলো কুকুরটি বললো যাওয়ার সাথে সাথে বসাইয়া দিছে। তারপর ২য় কুত্তা গেলে বাবুর্চি আরো রেগে গিয়ে কুত্তার গায়ে গরম পানি ঢেলে দিলো। আশার পর অন্য কুত্তা জিজ্ঞেস করল কেমন খাওয়ালো বললো যাওয়ার সাথে সাথে গরম গরম দিছে। তারপর ৩য় টা গেলে বাবুর্চি মনে মনে ভাবলো এট ব্যাটাতো অতিরিক্ত শয়তান বার বার আসে তাই তাকে বেধে রাখলো। তারপর অনেক কষ্টে সে ছুটে এলে তাকে অন্য কুকুর গুলো বললো কিরে এতো দেরি হলো? সে বললো আমাকে আসতেই দিতে চাইছিল না।

তোর মেয়েটা আমাকে আর আগের মত ভালবাসেনা

স্যার:- কিরে মন খারাপ কেন আবুল?
আবুল:- স্যার কই নাতো।
স্যার:- আরে লজ্জা পাওয়ার কি আছে বন্ধু ভেবে বলে ফেল।
||
||
||
||
আবুল:- আর বলিস না দোস্ত।
"তোর মেয়েটা আমাকে আর আগের মত ভালবাসেনা"

আর যদি কোনদিন আমার কোন dress পড়িস তাহলে মার খাবি


বল্টুর GF তার সাথে ডেটিং-এ আসলো একটি শর্ট কার্ট পড়ে ..!
কিন্তু বল্টু তো একজন ভদ্র ছেলে, তাই সে তার GF এর dress দেখে খুব বিব্রত হয়ে গেল। তারপর সে তার GF কে প্রশ্ন করল,
"তুমি যে এই শর্ট স্কার্ট টা পরিছো তাতে তোমার মা কিছু বলেনি ?"

গার্লফ্রেন্ডঃ হ্যাঁ, বলেছে তো।
বল্টুঃ কি বলেছে ? .
.
.
.
গার্লফ্রেন্ডঃ বলেছে, আর যদি কোনদিন আমার কোন dress পড়িস তাহলে মার খাবি ।

কোথায় তুমার ফেরারি

প্রেমিকাঃ তুমি কি ধূমপা কর?
বল্টুঃ হ্যাঁ
প্রেমিকাঃ প্রতদিন কত প্যাকেট?
বল্টুঃ ৩ প্যাকেট।
প্রেমিকাঃ প্রতি প্যাকেট এর দাম কত করে?
বল্টুঃ ১০ ডলার।
প্রেমিকাঃ কতদিন ধরে তুমি ধূমপান করছ?
বল্টুঃ ১৫ বছর।
প্রেমিকাঃ তাহলে তুমি everyday ৩০ ডলার করে মাসে ৯০০ ডলার আর প্রতি বছর
১০৮০০ ডলার ধূমপান করে নষ্ট করছ, আমি কি সঠিক ?
বল্টুঃ সঠিক।
প্রেমিকাঃ তাহলে প্রতিyear ১০৮০০ ডলার করে গত ১৫ বছরে তুমি
১৬২,০০০ডলার ধূমপান করে নষ্ট করেছ, ঠিক ?
বল্টুঃ ঠিক।
প্রেমিকাঃ তুমি কি জান ডলার গুলি ধূমপান না করে ব্যাংক এ জমিয়ে রাখতে তাহলে
১৫ বছরে যে ইন্টারেস্ট আসত তা দিয়ে তুমি একটি ফেরারি কিনতে পারতে।

বল্টুঃ তুমি কি ধূমপান কর?
প্রেমিকাঃ না।
.
.
.
বল্টুঃ তাহলে কোথায় তুমার ফেরারি ?

ওস্তাদ ডাইনে চাপেন আর ওস্তাদ বামে চাপেন

এক মেয়ের বিয়ে হলো এক বাস হেল্পারের সাথে।

বাসর রাতের পরদিন,
বান্ধবী মেয়েকে জিজ্ঞাস করলো, "কিরে জরিনা, কালকের রাত কেমন হলো?"
জরিনা তো রেগে হেভী ফায়ার হয়ে বললো,
"বলিস না আর আমার পাছা ব্যাথা করে দিসে।"
বান্ধবীঃ বলিস কি প্রথম রাতেই পাছায়......!
.
.
.
জরিনাঃ আরে না,
সারারাত ওস্তাদ ডাইনে চাপেন আর ওস্তাদ বামে চাপেন কইয়া পাছা থাবড়াইসে।

তুই একটা পাগল

একদিন ছোট্ট বল্টুকে তার
স্কুলের স্যার বাসা থেকে ৩টা ফলের নাম লিখে আনতে বললেন!!

বল্টুবাসায় গিয়ে তার খালাকে জিজ্ঞেস করল
“খালা ৩টা ফলের নাম বল?”

 খালা বলল “তোর বকবক শুনার জন্য আমার হাতে সময় নাই” বল্টু লিখে নিল।

এরপর সে গিয়ে বড় ভাইকে জিজ্ঞেস করল
“ভাইয়া ২টা ফলের নাম বল”

ভাইয়া উত্তর দিল
“গার্লফ্রেন্ডের ফোন আসবে এখন, জলদি এখান থেকে ভাগ”
বল্টু এটা খাতায় লিখে নেয়!

এরপর সে গিয়ে বুড়ো দাদুকে জিগেস করল
“দাদী একটা ফলের নাম বল”
দাদী হেসে বলে “তুই একটা পাগল”
বল্টু এটাও খাতায় লিখে নেয়।

পরের দিন স্কুলে স্যার বল্টুকে জিজ্ঞেস করল “৩টা ফলের নাম লিখে আনছ??”

বল্টুঃ “জি স্যার”
স্যারঃ “বল”
বল্টুঃ “তোর বকবক শুনার জন্য আমার হাতে সময় নাই”

স্যারঃ “কি?? চল প্রিন্সিপ্যালের কাছে”

বল্টুঃ “গার্লফ্রেন্ডের ফোন আসবে এখন, জলদি এখান থেকে ভাগ”

স্যারঃ “কি!!! জানিস আমি কে??”

বল্টুঃ “তুই একটা পাগল” !

২ টা না ৪ টা নাও

4-5 ফ্রেন্ড মিলে বারে বীয়ার পান করতেছে.
এমন সময় টেবিলের উপর রাখা মোবাইলটা বেজে উঠল.
আবুলঃ হ্যালো
মেয়ে: ওগো শুনছো..আমি এখন মার্কেটে আছি.
আবুলঃ ভাল
মেয়ে: আমার 200000 টাকার একটা নেকলেস পছন্দ হয়েছে.
আবুলঃ তাহলে এটা নিয়ে নাও!
মেয়ে: 26000টাকা র একটা স্কার্ট আমার পছন্দ হয়েছে. 2টা নিয়ে নেই?
আবুলঃ 2টা না 4টা নাও।
মেয়ে: তোমার ক্রেডিট কার্ড আমার কাছে, ঐখান থেকে নিতেছি.
আবুলঃ ok. no problem
সববন্ধু: সালা তুই কি পাগল হয়ে গেলি?
এতগুলো টাকা বউকে দিয়ে দিলি।
আবুলঃ এইসব বাদ দে, আগে বল মোবাইলটা কার?
বন্ধুরা পুরাই shockzz !!!

পর-পুরুষকে ঝাঁটা-পেটা করতে পারে এমন বউই তো দরকার

এক কৃষকের দুই বউ ছিল, দুজনেই ভীষণ সুন্দরী।
তো, পাশের বাড়ির এক যুবক কৃষকের দুই বউয়ের প্রেমে পড়ে গেল।
একদিন সে বড় বউকে প্রেম নিবেদন করল,
বড় বউ রেগে গিয়ে তাকে ঝাঁটা- পেটা করে তাড়িয়ে দিল।

এবার সে ছোট বউকে প্রেম নিবেদন করল
এবং ছোট বউ সাথে সাথে রাজি হয়ে গেল।
তারা রাতের অন্ধকারে বাঁশ বাগানে প্রেম করতে লাগলো।
এদিকে, পাড়া-পড়শীরা সবাই ব্যাপারটা জেনে গেল এবং কৃষককে সব কিছু জানিয়ে দিল।
কৃষক ব্যাটা এই আঘাত সহ্য করতে না পেরে হার্ট এটাকে মারা গেল।
তখন যুবকটি বড় বউকে বিয়ে করে ফেললো!
প্রতিবেশিরা সবাই তো অবাক, তারা সবাই যুবকের কাছে জানতে চাইল,
ছোট বউয়ের
সাথে প্রেম করে বড় বউকে বিয়ে করার কারণ কি?
তখন যুবক হেসে বলল,
.
.
পর-পুরুষকে ঝাঁটা-পেটা করতে পারে এমন বউই তো দরকার !

আমি কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবো

ক্লাস টু-তে এক পিচ্চি মেয়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলছে,
টিচার টিচার, আমার আম্মু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?

টিচার: তোমার আম্মুর বয়স কত সোনা?
পিচ্চি: চল্লিশ।
টিচার: হ্যাঁ, তোমার আম্মু প্রেগন্যান্ট হতে পারবেন।
পিচ্চি: আমার আপু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?
টিচার: বললেন, তোমার আপুর বয়স কত সোনা?
পিচ্চি: আঠারো।
টিচার: হ্যাঁ, তোমার আপু প্রেগন্যান্ট হতে পারবে।
পিচ্চি: আমি কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবো?
টিচার হেসে বললেন: তোমার বয়স কত সোনা?
পিচ্চি: আট।
টিচার: বললেন, না সোনা, তুমি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে না।

এ কথা শোনার পর পেছন থেকে ছোট্ট বাবু
পিচ্চিকে খোঁচা দিয়ে বললো, শুনলে তো?
আমি তো তখনই বলেছি, আমাদের
চিন্তা করার কিছু নেই।

বাকি ৯৫ টাকা কই গেলো

সংসদে এক সরকারি এম.পি তার বক্তৃতার সময়
এক গল্প বলল -

“এক বাবা তার তিন ছেলেকে ১০০
টাকা করে দিয়ে বলল যে এমন কিছু
কিনে আনো যাতে ঘরটা পুরো ভর্তি হয়ে যায়....

১ম ছেলে ১০০ টাকার খড় কিনে আনল কিন্তু
ঘর পুরোপুরি ভর্তি করতে পারলনা...।

২য় ছেলে ১০০ টাকার তুলা কিনে আনল কিন্তু
সেওপুরোপুরি ভর্তি করতে পারলনা...।

৩য় ছেলে ৫টাকা দিয়ে একটা মোমবাতি কিনে আন
এবং রুমের মাঝে জ্বালাল। এতে পুরো ঘর সম্পূর্ণ
আলোতে ভর্তি হয়ে গেলো।

“এম.পি আরও বলতে লাগলো যে “আমাদের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন ৩য় ছেলের মতো।
যেদিন থেকে তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন এই দেশের, এই দেশ
উন্নতির আলোতে পূর্ণ হয়ে গিয়েছে......... ।”




পিছন থেকে বিরোধী দলের এক এমপির আওয়াজ
আসলো “সেটা তো ঠিক আছে, কিন্তু বাকি ৯৫
টাকা কই গেলো?

আমি না প্রেগনেন্ট

বউঃ একটা কথা বলব মারবা না তো ?
স্বামীঃ কি যে বলো না তুমি ?
বউঃ  আমি না প্রেগনেন্ট!!
স্বামীঃ এটা তো খুশির খবর..

বউঃ বিয়ের আগে এবার বাবা কে বলছিলাম , বাবা তো মারছিলো তাই আর কি...!

এই বয়সেও আপনি জ্বিনভূত বিশ্বাস করেন

টিনা বেড়াতে গেছে এক নির্জন কেল্লায়।
একটা ঘরে ঢুকে সে দেখলো, একটা পুরনো চেরাগের
পাশে এক পাগড়ি পরা যুবক দাঁড়িয়ে।



‘স্বাগতম, আমার আকা।’ বললো যুবক। ‘আমি এই
চেরাগের জ্বিন। আপনার তিনটি ইচ্ছা আমি পূরণ
করতে চাই।


টিনা এক নিঃশ্বাসে বললো, ‘কোটি কোটি টাকা,
দশটা বাড়ি, বিশটা গাড়ি।


জ্বিন বললো, ‘জো হুকুম। আপনি বাড়ি ফিরেই
আপনার টাকা, বাড়ির দলিল আর গাড়ির লাইসেন্স
তৈরি পাবেন।

কিন্তু আমার আকা, আমি দীর্ঘদ এই চেরাগে একা বন্দি ছিলাম। আপনি যদি কিছু
মনে না করেন, আমি ইচ্ছাপূরণের আগে আপনার সাথে কয়েকবার আদরসোহাগ করতে চাই।’
 

টিনা সানন্দে রাজি হলো। পরদিন ভোরে জ্বিন
বললো,
‘আমার আকা, আপনার বয়স কত?


টিনাঃ ‘সাতাশ।’
যুবকঃ ‘এই বয়সেও আপনি জ্বিনভূত বিশ্বাস করেন?

ম্যাম I Love You

আবুলঃ ম্যাম I Love You……
ম্যাডামঃ কী!!! বেয়াদপ ছেলে.....
আবুলঃ ইয়ে..... ম্যাম I Love You এর মানে কি?? .
ম্যাডামঃ ও আচ্ছা......তাই
বলো......আমি তোমাকে ভালোবাসি।
.
.
আবুলঃ ছি...... ম্যাম এটা কি বলেন!

এক দুষ্ট ছেলের থানায় ফোন

এক দুষ্ট ছেলে থানায় ফোন করেছে।
- এইটা কি পুলিশ স্টেশন?
- হ্যাঁ।
- আপনি কি পুলিশ?
- হ্যাঁ।
- আপনার থানায় বাথরুম আছে?
- হ্যাঁ।
- আপনার বাথরুমে কমোড আছে?
- হ্যাঁ, আছে।
- তাহলে কমোডের মধ্যে মাথা ঢুকাইয়া বইসা থাকেন। এই বলে ছেলেটি ফোন কেটে দিল। কিছুক্ষণ পর পুলিশ নাম্বার বের করে কলব্যাক করল। ছেলেটির বাবা ফোন ধরল। পুলিশ অভিযোগ করল, আপনার ছেলে আমাকে কমোডে মাথা ঢুকিয়ে বসে থাকতে বলেছে।
- কতক্ষণ আগে বলেছে?
- এই ধরেন ১০ মিনিট।
- তাহলে এখন মাথা বের করে ফেলেন।

সপরিবারে দাওয়াত

আবুলঃ  আমাদের দোকানে যে পচা ডিমগুলো ছিলো, সেগুলো কে কিনলো?
কর্মচারীঃ বল্টু  সাহেব।

আবুলঃ গত বছরের পাঁচ কেজি আটা?
কর্মচারীঃ বল্টু  সাহেব।
আবুলঃ আর ঐ মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া সেমাইগুলো?
কর্মচারীঃ
বল্টু সাহেবই সব নিয়ে গেছেন।

এমন সময় আবুলের মুখ কালো হয়ে গেল। কপাল দিয়ে ঘাম ছুটতে লাগলো।
কর্মচারী ভয় পেয়ে জিজ্ঞাস করল-
হুজুর আপনার কি শরীর খারাপ লাগছে?
.
.
.
আবুলঃ না, বল্টু সাহেবের বাসায় আজ
আমার সপরিবারে দাওয়াত আছে।

না নিজে ঘুরতে নিয়ে যায়, না আরেক জনের সাথে ঘুরতে দেয়

এক মহিলা তার প্রেমিকের সাথে ঘুরতে গেছে। এর মাঝে মহিলার স্বামী তা দেখে ফেলে এবং প্রেমিকরে মারা শুরু করে।

তখন মহিলা বলতে থাকেঃ 'মারো গাধাটারে মারো। নিজের wifeরে নিয়ে না ঘুরে আরেক জনের wifeরে নিয়ে ঘুরে।'

হটাৎ প্রেমিকের শক্তি এসে পরে। সেও স্বামীটিকে মারা শুরু করে।

তখন মহিলা বলা শুরু করেঃ 'মারো শালারে মারো। না নিজে ঘুরতে নিয়ে যায়, না আরেক জনের সাথে ঘুরতে দেয় !

আবুল ও বল্টুর পরীক্ষা

বল্টুঃ কী রে দোস্ত, পরীক্ষা কেমন হইলো ?
আবুলঃ পরীক্ষা ভাল হয়নাই রে দোস্ত ! তবে ৫ নম্বর নিশ্চিত পামু ।
বল্টুঃ কেমনে ? 

আবুলঃ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য ছিল ৫ নম্বর ! তাই আমি পরীক্ষার খাতায় কলমের
একটা আচড়ও দেইনাই!!!
বল্টুঃ হায়! সর্বনাশ হইসে- আমি ও তো তোর মতো পরীক্ষার খাতায় কলমের একটা আচড়ও দেইনাই !

আমাদের দুই জনের
খাতাই একই রকম
দেখলে-
স্যার তো মনে করবো আমরা দুজনে নকল
করসি।

আন্টি আমি উঠে যাই আপনি আমার জায়গায় বসেন

এক বাসে একটা সুন্দরী মেয়ে
দাঁড়িয়ে ছিল....
তো ছোট ছেলে বল্টু বলল,
"আন্টি আমি উঠে যাই আপনি আমার জায়গায়
বসে যান!"
এ কথা বলার
সাথে সাথে মেয়েটি বল্টুকে কষে
একটা থাপ্পর দিল!


কিন্তু কেন..?


আরে ভাই বল্টু যে তার বাবার
কোলে বসে ছিল!

এইটার উত্তরও তো একই হবে রে গাধা

আবুলঃ  আব্বা অঙ্ক স্যার আমারে মারছে।
বাবাঃ ক্যান। কি করছস?

আবুলঃ স্যার জিজ্ঞেস করছিল ৭+২= কত?
বাবাঃ পারস নাই?

আবুলঃ আমি বলছি ৯।
বাবাঃ তারপরে?

আবুলঃ স্যার বলেছেন ২+৭= কত?
বাবাঃ এইটার উত্তরও তো একই হবে রে গাধা।

আবুলঃ আরে আমিও তো স্যারকে এই কথাই বললাম। এরপরেও স্যার মাইর দিলেন।

মারামারির অবসান

আবুলঃ  আব্বা আপনি যখন ফেল করতেন তখন দাদা আপনার সাথে কি করতো ?
বাবাঃ কি আর করত ধইরা পিটাইতো !

আবুলঃ আর যখন দাদা ফেল করত তখন?
বাবাঃ তখন উনার বাবা উনাকে মাইর দিতো।

আবুলঃ বাবা ফেইল করছি !! কিন্তু
আপনি যদি আমার সাথে থাকেন আর সাহায্য করেন তাইলে আপনাদের এই খানদানী
মারামারির অবসান ঘটাইতে পারেন।

চকলেট দিলে দেন না দিলে নাইমা যাই

এক মহিলা দুই বাচ্চা নিয়ে বাসে উঠল ।
বাচ্চা দুইটা খালি ক্যা ক্যা, ম্যা ম্যা, ট্যা ট্যা, প্যা প্যা কান্নাকাটি শুরু করল !
তখন মহিলাটি তার বাচ্চাদের কান্না থামাতে বলছে... 
দেখ কান্নাকাটি করোনা, কান্নাকাটি করলে কিন্তু ঐ পাশে যে আঙ্কেল আছে ঐ আঙ্কেল কে তোমাদের
চকলেট গুলো সব দিয়ে দিব !


তো এই কথা সে ক্রমাগত বলে যাচ্ছে ...তো তিন চার স্টপেজ পার হয়ে যাচ্ছে ...
বাচ্চারা কান্নাকাটি করে আর,
সে শুধু বলে চকলেটগুলো ...কিন্তু আঙ্কেল কে দিয়ে দিব !!


তো পাশে থেইক্যা এক
ভদ্রলোক উঠে বলল
.
.
.
.
আপনার জন্য ৪ টা স্টপেজ মিস করলাম ! চকলেট দিলে দেন না দিলে নাইমা যাই ।

বিয়া করলে কি বেশিদিন বাচন যায়

বল্টুঃ  ডাক্তার সাব! বেশীদিন বাচোনের কোন উপায় আছে কি?
ডাক্তারঃ যান বিয়া করেন গিয়া।

বল্টুঃ ক্যান? বিয়া করলে কি বেশিদিন বাচন যায়?
ডাক্তারঃ তা কইবার পারবো না। তবে এইটা বলতে পারি যে আপনি বিয়ার পর আর বেশিদিন বাচনের চেষ্টা করবেন না।

খাঁড়া তোর বাপ রে কইতাছি

বল্টুঃ  “ I LOVE YOU ”
জরিনাঃ আমি তো কুদ্দুছ কে পছন্দ করি!!
বল্টুর মন খারাপ হয়ে গেল
মাটির দিকে তাকাল
এরপর আবার মেয়ের দিকে ফিরল...
আর বলল
|
|
|
|
"খাঁড়া তোর বাপ রে কইতাছি"

আকবরের বেডে ম্যাডাম


ইতিহাস class এ একদিন, ম্যাডাম
পড়াচ্ছেন|
ম্যাডাম: সম্রাট আকবর একদিন
বেডে শুয়ে ছিলেন,
.
ঠিক
তখনি ১টা ছেলে দাড়িয়ে বললো ম্যাডাম
পিছনের ছেলেটা আমাকে ডিস্টার্ব করছে|
ম্যাডাম ঐ ছেলেটাকে বকুনি দিলেন|
ম্যাডাম: আমি যেনো কোথায় ছিলাম?
.
.
আবুল : আকবরের বেডে ম্যাডাম.

বল্টুর স্ত্রী প্রেগন্যান্ট

বল্টুর স্ত্রী প্রেগন্যান্ট তাই ডাক্তার আসলো।

ডাক্তারঃ আপনার এই সময় ভাল ভাল খাবার খেতে হবে, আপনার কি খেতে পছন্দ করেন ?
স্ত্রীঃ আমার......
বল্টুঃ এই যেকোন একটা খাবারের নাম কইয়া দেউ,
.
.
.
ওইটা কইয়ো না।

সাবধান আর নিচে নামিস না

এক শিক্ষক ক্লাসে ছাত্রদের জিজ্ঞেস করেন – এমন জিনেসের নাম বল তো যা ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিতি হয় ।
বল্টুঃ চুল
শিক্ষক – কিভাবে ?
বল্টুঃ মাথায় আমরা বলি চুল , চোখের উপরে থাকলে বলি ভ্রু, ঠোটের উপরে থাকলে বলি গোফ , গালে ও চিবুকে থাকলে বলি দাড়ি । বুকে থাকলে বলি লোম এবং ……

শিক্ষক- সাবধান আর নিচে নামিস না ।

যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে

যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে,
শিক্ষকঃ আমি টেবিল ছুয়েছি, টেবিল মাটি ছুয়েছে, সুতরাং আমি মাটি ছুয়েছি।
এভাবে একটি যুক্তি দেখাওতো।
আবুলঃ  আমি আপনাকে ভালবাসি, আপনি আপনার মেয়েকে ভালবাসেন, সুতরাং আমি আপনার মেয়েকে ভালবাসি।

স্বামী-স্ত্রী রতিক্রিয়া

স্বামী-স্ত্রী রতিক্রিয়ার সময়
------------------------
স্ত্রীঃ আজ তোমার কেমন লাগছে গো?
স্বামীঃ দারুন লাগছে ডার্লিং…
ইচ্ছে করছে তোমার ভিতর চিরদিনের জন্য ঢুকে যাই।

বারান্দা থেকে কাজের বুয়াঃ ঢুকে যাওয়ার আগে আমার টাকাটা দিয়ে যাবেন...।

কৃপণ প্রেম

এক কৃপণ ছেলের সাথে এক কৃপণ মেয়ের প্রেম চলছে....
একদিন রাতে মেয়েটি তার বয়ফ্রেন্ডকে আসতে বলল তার বাসায়....
মেয়েটি বললঃ সবাই ঘুমিয়ে পড়লে আমি উপর থেকে একটা কয়েন ফেলব, তুমি কয়েনের শব্দ
পেলে চুপিচুপি উপরে চলে আসবে।
কথামত রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে মেয়েটি নিচে কয়েন ফেলল। কয়েন পড়ার ঝনঝন শব্দ হল,

কিন্তু বয়ফ্রেন্ডের আসার আর নাম নেই।
প্রায় এক ঘণ্টা পরে চুপিচুপি বয়ফ্রেন্ডের আগমন।


গার্লফ্রেন্ডঃ কী ব্যাপার? এতক্ষণ লাগালে যে? কয়েন ফেলার শব্দ পাওনি?
বয়
ফ্রেন্ডঃ  পেয়েছি তো, কিন্তু অন্ধকারে কয়েনটা খুঁজতে খুঁজতে দেরি হয়ে গেল...।
 

গার্লফ্রেন্ডঃ আরে ধুর, আমি কি অত বোকা?
কয়েনটা তো আমি সুতা দিয়ে বেঁধে
নিচে ফেলে আবার
উপরে তুলে নিয়েছি...!!

4 মিনিটের মাথায় খেলা শেষ

স্বামী & স্ত্রী : ক্রিকেট খেলা দেখছে
তো,
প্রথম উইকেট ৩ বলেই আউট হলো.
দ্বিতীয় উইকেট ৫ বলে আউট হলো.
তৃতীয় উইকেট ২ ওভারে আউট হলো

খেলার এক পর্যায়ে স্বামী চটে :  গিয়ে বললো. .
কি ব্যাটসম্যান মাঠে নামছে 5 মিনিট ও খেলতে পারে না ।

তখন স্ত্রী রেগে : বললো,
বুঝো এখন. !

তুমি যখন 4 মিনিটের মাথায় খেলা শেষ কর তখন আমার ক্যামন লাগে...।