উপস্থাপকঃ আপনি ছাগলরে কি খাওয়ান??
কৃষকঃ কোনটারে? কালো না সাদা??
উপস্থাপকঃ কালোটারে...
কৃষকঃ ঘাস...
উপস্থাপকঃ আর সাদা??
কৃষকঃ ওইটারেও ঘাসই খাওয়াই...
উপস্থাপকঃ ও!! আচ্ছা, এগুলিরে কই বাইন্ধা রাখেন??
কৃষকঃ কোনটা?? কালোটা না সাদাটা??
উপস্থাপকঃ সাদা...
কৃষকঃ ওইপাশে বাইরের ঘরে বাইন্ধা রাখি।
উপস্থাপকঃ আর কালোটা?
কৃষকঃ ওইটারেও বাইরের ঘরেই বান্ধি...
উপস্থাপকঃ আর গোসল করান কিভাবে?
কৃষকঃ কালো না সাদা??
উপস্থাপকঃ কালো...
কৃষকঃ পানি দিয়া।
উপস্থাপকঃ আর সাদাটা??
কৃষকঃ ওইটারেও পানি দিয়াই করাই...
উপস্থাপকঃ (চরম ক্ষিপ্ত): হা...!! সব কিছু যখন একই রকম করস তাইলে বার বার জিগাস ক্যান “কালা না সাদা”???
কৃষকঃ কারণ সাদা ছাগলটা আমার...
উপস্থাপকঃ ও!! আর কালোটা??
কৃষকঃ ওইটাও আমার....
Jokes Everyday
Bangla jokes for all
বৌ এর রচনা
"বৌ" একটি গৃহপালিত মানুষ। এরা "গিন্নী" নামেও পরিচিত। এদের স্বাভাবিক মানুষের মতই হাত, পা, চোখ সবই আছে। তবে জিনগত সূত্রে "চাপা" বলে একটা জিনিস পেয়েছে। চাপাবাজিতে পারঙ্গম এদের
মত দ্বিতীয়টি নেই। পাশের বাসার ভাবীর সাথে ননস্টপ চাপাবাজিতে অতুলনীয় এরা। আর হিন্দি সিরিয়াল এদের কাছে কেএফসি তে গিয়ে মুরগীর হাড্ডি চিবানোর চেয়েও উত্তম। আর স্বামীর সাথে ঝগড়া ঝাটিতে জয়লাভ না করা পর্যন্ত সংগ্রাম করে যাবে। স্বামী একটু রাত করে বাসায় ফিরলে হাড়ি-পাতিল যা আছে সবকিছু আলোর বেগে ছুড়ে মারতে কোন দ্বিধা নেই। আর কথায় কথায় বাপের বাড়ি চলে যাওয়ার একটা আল্টিমেটাম থাকেই সবসময়। যদিও কিছুদিন পর বাপের বাড়ী থেকে নিজেই বিরক্ত হয়ে ফিরে আসে। আসল কারণ টা হল, বাপের বাড়ীতে গিয়ে কোন পাত্তা পায় না। সবার শেষের বৌ এর একটা চিরন্তন বাণী বলি, "তোমার সাথে বিয়ে হয়ে আমার লাইফটা শেষ। তুমি জানো, আমার জন্য কত ডাক্তার, ইন্জনিয়ার এসেছিলো? কলেজে থাকতে কতগুলো প্রেমপত্র পেয়েছি? বাবা শেষমেষ বিয়ে দিলো তোমার মত একটা রামছাগলের সাথে।" তারপর ফ্যাচফ্যাচিয়ে কেঁদে নাকের পানি, চোখের পানি এক করা আর নারী নির্যাতনের কেইস করার হুমকি।
মত দ্বিতীয়টি নেই। পাশের বাসার ভাবীর সাথে ননস্টপ চাপাবাজিতে অতুলনীয় এরা। আর হিন্দি সিরিয়াল এদের কাছে কেএফসি তে গিয়ে মুরগীর হাড্ডি চিবানোর চেয়েও উত্তম। আর স্বামীর সাথে ঝগড়া ঝাটিতে জয়লাভ না করা পর্যন্ত সংগ্রাম করে যাবে। স্বামী একটু রাত করে বাসায় ফিরলে হাড়ি-পাতিল যা আছে সবকিছু আলোর বেগে ছুড়ে মারতে কোন দ্বিধা নেই। আর কথায় কথায় বাপের বাড়ি চলে যাওয়ার একটা আল্টিমেটাম থাকেই সবসময়। যদিও কিছুদিন পর বাপের বাড়ী থেকে নিজেই বিরক্ত হয়ে ফিরে আসে। আসল কারণ টা হল, বাপের বাড়ীতে গিয়ে কোন পাত্তা পায় না। সবার শেষের বৌ এর একটা চিরন্তন বাণী বলি, "তোমার সাথে বিয়ে হয়ে আমার লাইফটা শেষ। তুমি জানো, আমার জন্য কত ডাক্তার, ইন্জনিয়ার এসেছিলো? কলেজে থাকতে কতগুলো প্রেমপত্র পেয়েছি? বাবা শেষমেষ বিয়ে দিলো তোমার মত একটা রামছাগলের সাথে।" তারপর ফ্যাচফ্যাচিয়ে কেঁদে নাকের পানি, চোখের পানি এক করা আর নারী নির্যাতনের কেইস করার হুমকি।
কোন জিনিসটা তুমি সবসময় টিপতে চাও
স্ত্রী:" আচ্ছা আমার শরীরের কোন জিনিসটা তুমি সবসময় টিপতে চাও? কিন্তু পারো না?
আবুল:" বলবো না। তুমি রাগ করবে।
স্ত্রী:" (হেসে) না তুমি বলো।
আমি রাগ করবো না।
.
.
আবুল:" তোমার গলা।
৪২৫ থেকে মঙ্গলবার বিয়োগ করে
দীর্ঘদিন চিকিত্সার পর ৩ পাগল কে নিয়ে বসেছেন ডাক্তার....
ডাক্তারঃ ৩ কে ৩ দিয়ে গুণ করলে কত হয় ?
১ম পাগলঃ ৪২৫ ।
হতাশ ডাক্তার পরের জনকে একই প্রশ্ন করলেন....
২য় পাগলঃ মঙ্গলবার ।
পুরোপুরি হতাশ হয়ে তৃতীয় জনকেও একই প্রশ্ন করলেন...
৩য় পাগলঃ ৯ ।
ডাক্তার খুশি হয়ে বললেনঃ ভেরিগুড।
এইবার বলতো এটা তুমি কিভাবে বের করলে ? . .
.
.
.
.
৩য় পাগলঃ খুব সোজা , ৪২৫ থেকে মঙ্গলবার
বিয়োগ করে ।
ওটাই আমার চিরুনির শেষ কাঁটা ছিল
এক কিপটে গেছে চিরুনি কিনতে।
কিপটে: ভাই সাহেব, আমার একটা নতুন
চিরুনি দরকার। পুরোনোটার একটা কাঁটা ভেঙে গেছে..।
দোকানদার: একটা কাঁটা ভেঙে গেছে বলে আবার নতুন চিরুনি কিনবেন কেন? ওতেই তো চুল আঁচড়ে নেওয়া যায়।
↓
↓
↓
↓
↓
↓
কিপটে: না রে, ভাই, ওটাই আমার চিরুনির শেষ কাঁটা ছিল যে !
কিপটে: ভাই সাহেব, আমার একটা নতুন
চিরুনি দরকার। পুরোনোটার একটা কাঁটা ভেঙে গেছে..।
দোকানদার: একটা কাঁটা ভেঙে গেছে বলে আবার নতুন চিরুনি কিনবেন কেন? ওতেই তো চুল আঁচড়ে নেওয়া যায়।
↓
↓
↓
↓
↓
↓
কিপটে: না রে, ভাই, ওটাই আমার চিরুনির শেষ কাঁটা ছিল যে !
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)