গার্ল ফ্রেন্ডঃ গত রাতে আমি তোমাকে স্বপ্নে দেখেছি বয়ফ্রেন্ড( ভীষণ উত্তেজিত): আমি কি করছি তোমার স্বপ্নে এসে?
গার্ল ফ্রেন্ডঃ আমরা বাসে করে যাচ্ছিলাম হঠাৎ বাস নিয়ন্ত্রণ
হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়! সবাই সাঁতার কেটে নিজেদের যান বাঁচাতে বাস্ত ছিল
কিন্তু তুমি তখন ও কাকে যেন খুজতেছিলা! বয়ফ্রেন্ড(খুশি হয়ে): আমি তোমাকেই খুজছিলাম তাই না...? গার্ল ফ্রেন্ডঃ আরে না, তুমি চিল্লাইতাছিলা "আরে কন্ডাক্টর শালা কই গেল, দুইটাকা পাইতাম"
বল্টুর রেজাল্ট দেওয়ার আগের দিন বল্টুর বাবা "আসিফ সাহেব" বল্টু কে বলছে।
তুই যদি এইবার ফেল করিস তাহলে আমাকে আর বাবা বলে ডাকবিনা...।
।
।
।
পরদিন বল্টু রেজাল্ট নিয়ে বাসাই আসলো।
বাবাঃ তোর রেজাল্ট কি হইছে...?
বল্টুঃ কি আর বলবো "আসিফ ভাই"
বল্টুর রেজাল্ট দিছে তো বল্টুর বাবা জানতে চাইল কি অবস্থা।
বাবাঃ তোর রেজাল্ট কি হইছে...?
বল্টুঃ বাবা আমার সাথে আবুল পড়ে, তার বাবা ডাক্তার, সে ফেল করিছে।
বাবাঃ ও তাই, তা তোর কি হইছে...?
বল্টুঃ বাবা আমার সাথে মন্টু ও পরে, ওর বাবা ইঞ্জিনিয়ার, সে ও ফেল করছে।
বাবাঃ রেগে গিয়ে, আমি তোর টা জানতে চাইছি।
বল্টুঃ আমি কি ভগবান এর ছেলে...।
বল্টু : আচ্ছা আবুল বলতো, মোবাইল ফোন আর বিয়ে এ দুটির মধ্য কি সাদৃশ্য পাওয়া যায় ?
আবুল : সারাক্ষনই মনে হয়, আর কিছুদিন অপেক্ষা করলে এরচেয়েও ভাল মডেল পাওয়া যেত।
শিক্ষক : এই ছেলে , তুমি স্কুলে বিড়াল এনেছো কেনো? ছাত্রঃ স্যার, আজ সকালে স্কুলে আসার সময় শুনলাম আমার বাবা খালামনিকে বলছে
"i will eat that pussy ( !! ) when my son will go to school"
আমি আমার বিড়ালটাকে খুব ভালবাসি! তাই আমি ভয়ে বিড়াল টা সাথে করে নিয়ে এসেছি যেন বাবা ওকে না খুঁজে পায়!
১৪ বছরের একটা ছেলে গেল দোকানে।
ছেলেঃ মামা এক প্যাকেট বিড়ি দিন তো।।
দোকান দারঃ এই বয়সে বিড়ি খাওয়া ধরছিস।।
ছেলেঃ আরে না, বিড়ি তো আমার ছোট ভাইয়ের। আমাকে এক প্যাকেট বেনসন দিন।
স্বামী: পাশের ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে একটু চিনি নিয়ে এসো তো?
স্ত্রী: ওরা আমাদের চিনি দেবে না।
স্বামী: ওরা তো খুব কঞ্জুস!
স্ত্রী: ওদের কিপ্টেমির কথা আর বোলো না।
স্বামী: তাহলে আর কী করা; আমাদের আলমারি থেকেই চিনি বের করে চা করে নিয়ে এসো যাও।
বল্টুঃ তুই তোর বউর সাথে ঝগড়া করিস?
আবুলঃ হ্যাঁ, করি। তবে প্রতিবার ঝগড়ার শেষে ও এসে হাঁটু গেড়ে আমার সামনে বসে পড়ে।
বল্টুঃ বলিস কী! তারপর?
আবুলঃ তারপর মাথা ঝুঁকিয়ে বলে, ‘খাটের তলা থেকে বেরিয়ে আসো। আর মারব না।
ডাক্তারঃ এই থার্মোমিটারটা আপনার স্ত্রীর মুখের নিচে দিয়ে আধমিনিট মুখ বন্ধ করে রাখতে বলবেন। তাহলেই জ্বর কত সেটা টের পাওয়া যাবে।
আবুলঃ ডাক্তার সাহেব, সারা দিন রাখতে হয় এমন কোনো থার্মোমিটার নেই?
আবুল ও বল্টুর মধ্যে কথা হচ্ছে--
আবুলঃ জানিস বল্টু আমি আর আমার স্ত্রী জীবনের ২০টি বছর সুখী জীবনযাপন করেছি।
বল্টুঃ তারপর...?
আবুলঃ তারপর আর কি ! ২০ বছর পর আমাদের দুজনের আজ দেখা হলো!
আবুলঃ জানিস বল্টু, কাল আমার বউ এর চোখে একদানা বালি পড়ছিল,
আর তাতে আমার ৫০ টাকা গেল।
বল্টুঃ বলিস কি...! এ তো কিছুই না।
আজ সকালে মার্কেট গিয়ে আমার বউ এর চোখে একটা শাড়ি পড়ল,
আর তাতে আমার ৫০০ টাকা গেল।
আবুলঃ বাবা সরকার কি?
বাবাঃ আমি ঘর চালাই আমি সরকারী দল। তোর মা খালি ঘ্যান ঘ্যান করে, তোর মা বিরোধী দল। তুই জনগন। তোর ছোট বোন মুন্নি দেশের ভবিষ্যত । আর কাজের মেয়ে ময়না শোষিত শ্রেনী।
এরপর মামা ফোন করলেন....
মামাঃ কিরে সবার খবর কি?
আবুলঃ সরকার ঘুমাচ্ছে। বিরোধীদল তার সুবিধামত আছে।ভবিষ্যত কাঁদছে। শোষিত শ্রেনী শোষিত হচ্ছে। আর জনগন তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে।
আবুল ভিক্ষা করে ১০০ টাকা আয়করেই
চলেগেল একটা 5star হোটেলে।
খাওয়া দাওয়ার পর বিল হল ৩৫১০ টাকা।
আবুলের কাছে অত টাকা না থাকায় ম্যানেজার
তাকে পুলিশে দিল।
।
।
।
আবুল বেচারা পুলিশকে সেই ভিক্ষা করা ৫০ টাকা ঘুষ
দিয়ে বেরহয়ে আসল।