পৃষ্ঠাসমূহ

বৌ এর রচনা

"বৌ" একটি গৃহপালিত মানুষ। এরা "গিন্নী" নামেও পরিচিত। এদের স্বাভাবিক মানুষের মতই হাত, পা, চোখ সবই আছে। তবে জিনগত সূত্রে "চাপা" বলে একটা জিনিস পেয়েছে। চাপাবাজিতে পারঙ্গম এদের
মত দ্বিতীয়টি নেই। পাশের বাসার ভাবীর সাথে ননস্টপ চাপাবাজিতে অতুলনীয় এরা। আর হিন্দি সিরিয়াল এদের কাছে কেএফসি তে গিয়ে মুরগীর হাড্ডি চিবানোর চেয়েও উত্তম। আর স্বামীর সাথে ঝগড়া ঝাটিতে জয়লাভ না করা পর্যন্ত সংগ্রাম করে যাবে। স্বামী একটু রাত করে বাসায় ফিরলে হাড়ি-পাতিল যা আছে সবকিছু আলোর বেগে ছুড়ে মারতে কোন দ্বিধা নেই। আর কথায় কথায় বাপের বাড়ি চলে যাওয়ার একটা আল্টিমেটাম থাকেই সবসময়। যদিও কিছুদিন পর বাপের বাড়ী থেকে নিজেই বিরক্ত হয়ে ফিরে আসে। আসল কারণ টা হল, বাপের বাড়ীতে গিয়ে কোন পাত্তা পায় না। সবার শেষের বৌ এর একটা চিরন্তন বাণী বলি, "তোমার সাথে বিয়ে হয়ে আমার লাইফটা শেষ। তুমি জানো, আমার জন্য কত ডাক্তার, ইন্জনিয়ার এসেছিলো? কলেজে থাকতে কতগুলো প্রেমপত্র পেয়েছি? বাবা শেষমেষ বিয়ে দিলো তোমার মত একটা রামছাগলের সাথে।" তারপর ফ্যাচফ্যাচিয়ে কেঁদে নাকের পানি, চোখের পানি এক করা আর নারী নির্যাতনের কেইস করার হুমকি।

কোন জিনিসটা তুমি সবসময় টিপতে চাও


স্ত্রী:" আচ্ছা আমার শরীরের কোন জিনিসটা তুমি সবসময় টিপতে চাও? কিন্তু পারো না?
আবুল:" বলবো না। তুমি রাগ করবে।
স্ত্রী:" (হেসে) না তুমি বলো।
আমি রাগ করবো না।
.
.
আবুল:" তোমার গলা।

৪২৫ থেকে মঙ্গলবার বিয়োগ করে



দীর্ঘদিন চিকিত্সার পর ৩ পাগল কে নিয়ে বসেছেন ডাক্তার....
ডাক্তারঃ ৩ কে ৩ দিয়ে গুণ করলে কত হয় ?
১ম পাগলঃ ৪২৫ ।
 হতাশ ডাক্তার পরের জনকে একই প্রশ্ন করলেন....
২য় পাগলঃ মঙ্গলবার ।
পুরোপুরি হতাশ হয়ে তৃতীয় জনকেও একই প্রশ্ন করলেন...
৩য় পাগলঃ ৯ ।
ডাক্তার খুশি হয়ে বললেনঃ ভেরিগুড।
এইবার বলতো এটা তুমি কিভাবে বের করলে ? . .
.
.
.
.
৩য় পাগলঃ খুব সোজা , ৪২৫ থেকে মঙ্গলবার
বিয়োগ করে ।

ওটাই আমার চিরুনির শেষ কাঁটা ছিল

এক কিপটে গেছে চিরুনি কিনতে।
কিপটে: ভাই সাহেব, আমার একটা নতুন
চিরুনি দরকার। পুরোনোটার একটা কাঁটা ভেঙে গেছে..।
দোকানদার: একটা কাঁটা ভেঙে গেছে বলে আবার নতুন চিরুনি কিনবেন কেন? ওতেই তো চুল আঁচড়ে নেওয়া যায়।






কিপটে: না রে, ভাই, ওটাই আমার চিরুনির শেষ কাঁটা ছিল যে !

গুড নিউজটা ভুল

বাবাঃ রেজাল্টের কি খবর?
বল্টুঃ ১টা গুড নিউজ ও ১টা ব্যাড নিউজ।
বাবাঃ তাহলে গুড নিউজটাই আগে বল।
.
বল্টুঃ আমি পাশ করেছি।
বাবাঃ ও কংগ্রেজুলেশন।

এখন ব্যাড নিউজটা বল।
.
.
.
বল্টুঃ গুড নিউজটা ভুল।

বল্টু বাইকটা তালা দিতে যাচ্ছিলো

এক বার বল্টুকে তার গার্লফ্রেন্ড ফোন দিয়ে তার
বাসায় যেতে বলল . বল্টু  গিয়ে বেল বাজালো,
গার্লফ্রেন্ড  দরজা খুলল এবং বলল.....

ঘরে কেও নাই, আমি একা
.
.
বল্টু একটা হাসি দিল এবং ঘর
থেকে বের হয়ে আমার বাইক এর দিকে যাতে লাগলো..... .

 ঠিক সেই সময় তার পুরো ফেমিলি বার হয়ে আসল,
এবং  বল্টুর ভদ্রতার অনেক প্রশংসা করল.....
.
কিন্তু
বল্টু তো বাইকটা তালা দিতে যাচ্ছিলো...।.

১ কোটি টাকা অথবা আমার মেয়ের সাথে বিয়ে

রাজা তার মেয়ের জন্মদিনে রাজ্যের সকল প্রজাদের দাওয়াত দিলেন
বিশাল আয়োজন হল, আয়োজনের শেষ পর্যায়ে রাজা বললেন, আমি আমার মেয়ের জন্মদিন
উপলক্ষে একটা ঘোষনা দিতে চাই। আমি আমার এই পুকুরে অনেক দিন ধরে কিছু কুমির রাখি।
এখানে এমন কোন বীরপুরুষ কি আছে যে এই পুকুরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে সাঁতার
কেটে যেতে পারবে?...
যদি কোউ পার তাহলে তাকে ১ কোটি টাকা অথবা আমার মেয়ের সাথে বিয়ে দিব।
কথা শেষ না হতেই দেখা গেল একজন পুকুরের মধ্যে লাফ দিয়ে সাঁতার কাটা সুরু করে দিছেন।
লোকতে অনেক কষ্টে সাঁতার কেটে পুকুরের অন্য প্রান্তে উঠলেন।

রাজ্যের সবাই দেখে তো হাত তালি দিতে লাগল। তখন রাজা লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলেন,
রাজাঃ তোমার সাহস দেখে আমি মুগ্ধ। বল তুমি কি চাও? আমার মেয়ে নাকি ১ কোটি টাকা?


লোকঃ রাজা মশাই আমি আপনার মেয়েকেও চাই না আর আপনার ১ কোটি টাকাও চাই না।
আমি ওই লোকটারে চাই যে আমারে ঠ্যালা মাইরা পুকুরে ফালাই দিছে

আই লাভ ইউ জান….

৩ ছেলে এক মেয়েকে প্রপোজ করল-

ছেলে ১ : আমি তোমার জন্য মরতে পারি.
মেয়ে : এটা সবাই-ই বলে.
ছেলে ২ : আমি তোমাকে আকাশের তারা এনে দেব.
মেয়ে : পুরাতন ডায়লগ .
ছেলে ৩ :আমি তোমাকে আমার ফেইসবুকের পাসওয়ার্ডটা দেব!!!
মেয়ে (অশ্রু মিশ্রিত কণ্ঠে) : হায় রে পাগল ! এত ভালবাস তুমি আমাকে !

আই লাভ ইউ জান….

তুমি কি মনে করেছ আমি দুষ্টামি করতেজানিনা


স্ত্রী : আমি আজকে ভীষন অসুস্থ বোধ
করছি।
স্বামীঃ তাই নাকি! আমি আরো ভাবলাম
তোমাকে নিয়ে আজকে KFC
তে যাব।

স্ত্রী (গদ গদ হয়ে): আরে বোকা, আমি তো দুষ্টামি করছিলাম।
.
.
.
.
.
.
.
স্বামিঃ আরে গাধী, তুমি কি মনে করেছ
আমি দুষ্টামি করতেজানিনা।
যাও তো জলদি রুটি বানাও।

তোমাদের ম্যারেজ ডে-র ৬ মাস পরই আমার বার্থ ডে

বল্টু মুচকি হেসে তার বাবাকে বলছেঃ আব্বা, তোমাদের লাভ ম্যারেজ হয়েছিল, তাই না...?
বাবা (অবাক হয়ে):  হ্যাঁ !! কিন্তু তুই কিভাবে জানলি?  কে বলেছে?
বল্টুঃ আরে ধুর, কে বলতে যাবে! একটু মাথা খাটালেই তো বোঝা যায়! .
.
.
.
.
.
তোমাদের ম্যারেজ ডে-র ৬ মাস পরই আমার বার্থ ডে !!!

শালা...এখন বুঝলাম টাইটানিক কেন ডুবেছিল.!


প্রেমিক প্রেমিকা সি.এন.জি এর পিছনের
সিটে বসে 'প্রেম' করছিলো

সি.এন.জি ওয়ালা বারবার পিছে তাকিয়ে দেখছিল
হঠাৎ সি.এন.জি গিয়ে এক ল্যাম্পপোস্ট এর সাথে ধাক্কা খেল
সি.এন.জি ওয়ালা বলল..
শালা...এখন বুঝলাম টাইটানিক কেন ডুবেছিল.!

প্লিজ জান-পাখি, স্যারকে ও কথা বলোনা


বল্টু তাদের ক্লাসের এক মেয়ের প্রেমে পড়ে গেছে।
একদিন সে ঐ মেয়েকে প্রপোজ করল।

বল্টুঃ জান-পাখি, "I LOVE U"
তুমিও আমাকে I LOVE U বলোনা প্লিজ . . .

মেয়েঃ আমি কিন্তু স্যারকে বলবো.!
বল্টুঃ চিৎকার করে
.
.
.
.
প্লিজ জান-পাখি, স্যারকে ও কথা
বলোনা !
স্যারের বউ আছে, ২টা বাচ্চা আছে,
ওদের সুখের সংসারে তুমি আগুন
লাগিও না . . . !

প্রচন্ড ভিড়ের বাস

বাসে প্রচন্ড ভিড়। বাসের ভিতর ভরে গিয়ে গেটের বাইরেও সবাই ঝুলছে। এমন সময় একজন লোক উঠার চেষ্টা করতেই বাসের ভেতরের সবাই চিৎকার করে, 
"খবরদার আর একটা লোকও উঠতে পারবে না।"
- কিন্তু আমাকে যে উঠতেই হবে।
- দেখতে পাচ্ছিস না? ভিতরে কোনো জায়গা নেই......
- কিন্তু আমাকে রেখে আপনারা কেউই যেতে পারবেন না তো...
- তুমি কোন নবাবের বাচ্চা যে তোমাকে উঠতেই হবে?
-
-
-
-
-
-
- নবাবের বাচ্চা না, আমি এই বাসের ড্রাইভার।

সবাই ফায়ার সার্ভিসের কর্মী


এক দোকানে আগুন লেগেছে।
এটা দেখে আবুল চিন্তা করল,
দোকানের ভেতর আটকে পড়াদের উদ্ধার
করতে হবে।

তো যেই ভাবা সেইকাজ।
আবুল সোজা আগুন পেরিয়ে দোকানের ভেতর ঢুকে ছয়জনকে বাইরে বের করে আনল।
কিছুক্ষণ পর পুলিশ এসে গাবলুকে ধরে নিয়ে গেল।
পরে তার বন্ধু থানায় গিয়ে পুলিশকে জিজ্ঞেস করল,
‘আবুল তো আগুন থেকে মানুষকে উদ্ধার করেছে।
সে তো কোনো অপরাধ করেনি।’
কথা শুনে পুলিশ রেগে আগুন , ‘অপরাধ করেনি মানে ?
সে যাদের দোকান থেকে বাইরে নিয়ে এসেছে,
সবাই ফায়ার সার্ভিসের কর্মী।’

"না না না প্লিজ, আমি ব্যস্ত আছি"


একটা লোক পাবলিক টয়লেটে বসে ছিল।
হঠাৎ করে পাশের টয়লেট থেকে শব্দ
আসলো,
"মিয়া ভাই কেমন আছেন?"
লোকটি অবাক হয়ে বলল," হ্যা আমি ভাল
আছি। আবার শব্দ আসলো, "কি করছেন ভাই?"
সে চিন্তিত হয়ে উত্তর দিল, "এইতো ভাই কমোড এ বসে আছি।"
পাশের টয়লেট থেকে আবার বলল, "আমি কি আসতে পারি?"
লোকটি ঘাবড়ে গেল এবং বলল, "না না না প্লিজ, আমি ব্যস্ত আছি"
আবার কন্ঠ শোনা গেল, "আচ্ছা ভাই আমি আপনাকে ৫ মিনিট পরে আবার ফোন দিচ্ছি,
কোন গাধা জানি আবার সব কথার
উত্তর দিয়া আমার লগে ফাইজলামি করতাসে |

৩ কুত্তা

একবার ৩টা কুত্তা এক বিয়ে বাড়ির পাশ দিয়া যাচ্ছিলো। তারা ঠিক করলো তারা বিয়ে খাবে। তো তার ঠিক করলো একজন একজন করে যাবে। প্রথম কুত্তাটা গেলো যাওয়ার সাথে সাথে বাবুর্চি তাকে দেখে লাঠি দিয়ে বাড়ি মারলো। ফিরে আশার পর অন্য কুকুর গুলো তাকে জিজ্ঞেস করলো কিরে কেমন আপ্যায়ন করলো কুকুরটি বললো যাওয়ার সাথে সাথে বসাইয়া দিছে। তারপর ২য় কুত্তা গেলে বাবুর্চি আরো রেগে গিয়ে কুত্তার গায়ে গরম পানি ঢেলে দিলো। আশার পর অন্য কুত্তা জিজ্ঞেস করল কেমন খাওয়ালো বললো যাওয়ার সাথে সাথে গরম গরম দিছে। তারপর ৩য় টা গেলে বাবুর্চি মনে মনে ভাবলো এট ব্যাটাতো অতিরিক্ত শয়তান বার বার আসে তাই তাকে বেধে রাখলো। তারপর অনেক কষ্টে সে ছুটে এলে তাকে অন্য কুকুর গুলো বললো কিরে এতো দেরি হলো? সে বললো আমাকে আসতেই দিতে চাইছিল না।

তোর মেয়েটা আমাকে আর আগের মত ভালবাসেনা

স্যার:- কিরে মন খারাপ কেন আবুল?
আবুল:- স্যার কই নাতো।
স্যার:- আরে লজ্জা পাওয়ার কি আছে বন্ধু ভেবে বলে ফেল।
||
||
||
||
আবুল:- আর বলিস না দোস্ত।
"তোর মেয়েটা আমাকে আর আগের মত ভালবাসেনা"

আর যদি কোনদিন আমার কোন dress পড়িস তাহলে মার খাবি


বল্টুর GF তার সাথে ডেটিং-এ আসলো একটি শর্ট কার্ট পড়ে ..!
কিন্তু বল্টু তো একজন ভদ্র ছেলে, তাই সে তার GF এর dress দেখে খুব বিব্রত হয়ে গেল। তারপর সে তার GF কে প্রশ্ন করল,
"তুমি যে এই শর্ট স্কার্ট টা পরিছো তাতে তোমার মা কিছু বলেনি ?"

গার্লফ্রেন্ডঃ হ্যাঁ, বলেছে তো।
বল্টুঃ কি বলেছে ? .
.
.
.
গার্লফ্রেন্ডঃ বলেছে, আর যদি কোনদিন আমার কোন dress পড়িস তাহলে মার খাবি ।

কোথায় তুমার ফেরারি

প্রেমিকাঃ তুমি কি ধূমপা কর?
বল্টুঃ হ্যাঁ
প্রেমিকাঃ প্রতদিন কত প্যাকেট?
বল্টুঃ ৩ প্যাকেট।
প্রেমিকাঃ প্রতি প্যাকেট এর দাম কত করে?
বল্টুঃ ১০ ডলার।
প্রেমিকাঃ কতদিন ধরে তুমি ধূমপান করছ?
বল্টুঃ ১৫ বছর।
প্রেমিকাঃ তাহলে তুমি everyday ৩০ ডলার করে মাসে ৯০০ ডলার আর প্রতি বছর
১০৮০০ ডলার ধূমপান করে নষ্ট করছ, আমি কি সঠিক ?
বল্টুঃ সঠিক।
প্রেমিকাঃ তাহলে প্রতিyear ১০৮০০ ডলার করে গত ১৫ বছরে তুমি
১৬২,০০০ডলার ধূমপান করে নষ্ট করেছ, ঠিক ?
বল্টুঃ ঠিক।
প্রেমিকাঃ তুমি কি জান ডলার গুলি ধূমপান না করে ব্যাংক এ জমিয়ে রাখতে তাহলে
১৫ বছরে যে ইন্টারেস্ট আসত তা দিয়ে তুমি একটি ফেরারি কিনতে পারতে।

বল্টুঃ তুমি কি ধূমপান কর?
প্রেমিকাঃ না।
.
.
.
বল্টুঃ তাহলে কোথায় তুমার ফেরারি ?

ওস্তাদ ডাইনে চাপেন আর ওস্তাদ বামে চাপেন

এক মেয়ের বিয়ে হলো এক বাস হেল্পারের সাথে।

বাসর রাতের পরদিন,
বান্ধবী মেয়েকে জিজ্ঞাস করলো, "কিরে জরিনা, কালকের রাত কেমন হলো?"
জরিনা তো রেগে হেভী ফায়ার হয়ে বললো,
"বলিস না আর আমার পাছা ব্যাথা করে দিসে।"
বান্ধবীঃ বলিস কি প্রথম রাতেই পাছায়......!
.
.
.
জরিনাঃ আরে না,
সারারাত ওস্তাদ ডাইনে চাপেন আর ওস্তাদ বামে চাপেন কইয়া পাছা থাবড়াইসে।

তুই একটা পাগল

একদিন ছোট্ট বল্টুকে তার
স্কুলের স্যার বাসা থেকে ৩টা ফলের নাম লিখে আনতে বললেন!!

বল্টুবাসায় গিয়ে তার খালাকে জিজ্ঞেস করল
“খালা ৩টা ফলের নাম বল?”

 খালা বলল “তোর বকবক শুনার জন্য আমার হাতে সময় নাই” বল্টু লিখে নিল।

এরপর সে গিয়ে বড় ভাইকে জিজ্ঞেস করল
“ভাইয়া ২টা ফলের নাম বল”

ভাইয়া উত্তর দিল
“গার্লফ্রেন্ডের ফোন আসবে এখন, জলদি এখান থেকে ভাগ”
বল্টু এটা খাতায় লিখে নেয়!

এরপর সে গিয়ে বুড়ো দাদুকে জিগেস করল
“দাদী একটা ফলের নাম বল”
দাদী হেসে বলে “তুই একটা পাগল”
বল্টু এটাও খাতায় লিখে নেয়।

পরের দিন স্কুলে স্যার বল্টুকে জিজ্ঞেস করল “৩টা ফলের নাম লিখে আনছ??”

বল্টুঃ “জি স্যার”
স্যারঃ “বল”
বল্টুঃ “তোর বকবক শুনার জন্য আমার হাতে সময় নাই”

স্যারঃ “কি?? চল প্রিন্সিপ্যালের কাছে”

বল্টুঃ “গার্লফ্রেন্ডের ফোন আসবে এখন, জলদি এখান থেকে ভাগ”

স্যারঃ “কি!!! জানিস আমি কে??”

বল্টুঃ “তুই একটা পাগল” !

২ টা না ৪ টা নাও

4-5 ফ্রেন্ড মিলে বারে বীয়ার পান করতেছে.
এমন সময় টেবিলের উপর রাখা মোবাইলটা বেজে উঠল.
আবুলঃ হ্যালো
মেয়ে: ওগো শুনছো..আমি এখন মার্কেটে আছি.
আবুলঃ ভাল
মেয়ে: আমার 200000 টাকার একটা নেকলেস পছন্দ হয়েছে.
আবুলঃ তাহলে এটা নিয়ে নাও!
মেয়ে: 26000টাকা র একটা স্কার্ট আমার পছন্দ হয়েছে. 2টা নিয়ে নেই?
আবুলঃ 2টা না 4টা নাও।
মেয়ে: তোমার ক্রেডিট কার্ড আমার কাছে, ঐখান থেকে নিতেছি.
আবুলঃ ok. no problem
সববন্ধু: সালা তুই কি পাগল হয়ে গেলি?
এতগুলো টাকা বউকে দিয়ে দিলি।
আবুলঃ এইসব বাদ দে, আগে বল মোবাইলটা কার?
বন্ধুরা পুরাই shockzz !!!

পর-পুরুষকে ঝাঁটা-পেটা করতে পারে এমন বউই তো দরকার

এক কৃষকের দুই বউ ছিল, দুজনেই ভীষণ সুন্দরী।
তো, পাশের বাড়ির এক যুবক কৃষকের দুই বউয়ের প্রেমে পড়ে গেল।
একদিন সে বড় বউকে প্রেম নিবেদন করল,
বড় বউ রেগে গিয়ে তাকে ঝাঁটা- পেটা করে তাড়িয়ে দিল।

এবার সে ছোট বউকে প্রেম নিবেদন করল
এবং ছোট বউ সাথে সাথে রাজি হয়ে গেল।
তারা রাতের অন্ধকারে বাঁশ বাগানে প্রেম করতে লাগলো।
এদিকে, পাড়া-পড়শীরা সবাই ব্যাপারটা জেনে গেল এবং কৃষককে সব কিছু জানিয়ে দিল।
কৃষক ব্যাটা এই আঘাত সহ্য করতে না পেরে হার্ট এটাকে মারা গেল।
তখন যুবকটি বড় বউকে বিয়ে করে ফেললো!
প্রতিবেশিরা সবাই তো অবাক, তারা সবাই যুবকের কাছে জানতে চাইল,
ছোট বউয়ের
সাথে প্রেম করে বড় বউকে বিয়ে করার কারণ কি?
তখন যুবক হেসে বলল,
.
.
পর-পুরুষকে ঝাঁটা-পেটা করতে পারে এমন বউই তো দরকার !

আমি কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবো

ক্লাস টু-তে এক পিচ্চি মেয়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলছে,
টিচার টিচার, আমার আম্মু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?

টিচার: তোমার আম্মুর বয়স কত সোনা?
পিচ্চি: চল্লিশ।
টিচার: হ্যাঁ, তোমার আম্মু প্রেগন্যান্ট হতে পারবেন।
পিচ্চি: আমার আপু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?
টিচার: বললেন, তোমার আপুর বয়স কত সোনা?
পিচ্চি: আঠারো।
টিচার: হ্যাঁ, তোমার আপু প্রেগন্যান্ট হতে পারবে।
পিচ্চি: আমি কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবো?
টিচার হেসে বললেন: তোমার বয়স কত সোনা?
পিচ্চি: আট।
টিচার: বললেন, না সোনা, তুমি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে না।

এ কথা শোনার পর পেছন থেকে ছোট্ট বাবু
পিচ্চিকে খোঁচা দিয়ে বললো, শুনলে তো?
আমি তো তখনই বলেছি, আমাদের
চিন্তা করার কিছু নেই।

বাকি ৯৫ টাকা কই গেলো

সংসদে এক সরকারি এম.পি তার বক্তৃতার সময়
এক গল্প বলল -

“এক বাবা তার তিন ছেলেকে ১০০
টাকা করে দিয়ে বলল যে এমন কিছু
কিনে আনো যাতে ঘরটা পুরো ভর্তি হয়ে যায়....

১ম ছেলে ১০০ টাকার খড় কিনে আনল কিন্তু
ঘর পুরোপুরি ভর্তি করতে পারলনা...।

২য় ছেলে ১০০ টাকার তুলা কিনে আনল কিন্তু
সেওপুরোপুরি ভর্তি করতে পারলনা...।

৩য় ছেলে ৫টাকা দিয়ে একটা মোমবাতি কিনে আন
এবং রুমের মাঝে জ্বালাল। এতে পুরো ঘর সম্পূর্ণ
আলোতে ভর্তি হয়ে গেলো।

“এম.পি আরও বলতে লাগলো যে “আমাদের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন ৩য় ছেলের মতো।
যেদিন থেকে তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন এই দেশের, এই দেশ
উন্নতির আলোতে পূর্ণ হয়ে গিয়েছে......... ।”




পিছন থেকে বিরোধী দলের এক এমপির আওয়াজ
আসলো “সেটা তো ঠিক আছে, কিন্তু বাকি ৯৫
টাকা কই গেলো?

আমি না প্রেগনেন্ট

বউঃ একটা কথা বলব মারবা না তো ?
স্বামীঃ কি যে বলো না তুমি ?
বউঃ  আমি না প্রেগনেন্ট!!
স্বামীঃ এটা তো খুশির খবর..

বউঃ বিয়ের আগে এবার বাবা কে বলছিলাম , বাবা তো মারছিলো তাই আর কি...!

এই বয়সেও আপনি জ্বিনভূত বিশ্বাস করেন

টিনা বেড়াতে গেছে এক নির্জন কেল্লায়।
একটা ঘরে ঢুকে সে দেখলো, একটা পুরনো চেরাগের
পাশে এক পাগড়ি পরা যুবক দাঁড়িয়ে।



‘স্বাগতম, আমার আকা।’ বললো যুবক। ‘আমি এই
চেরাগের জ্বিন। আপনার তিনটি ইচ্ছা আমি পূরণ
করতে চাই।


টিনা এক নিঃশ্বাসে বললো, ‘কোটি কোটি টাকা,
দশটা বাড়ি, বিশটা গাড়ি।


জ্বিন বললো, ‘জো হুকুম। আপনি বাড়ি ফিরেই
আপনার টাকা, বাড়ির দলিল আর গাড়ির লাইসেন্স
তৈরি পাবেন।

কিন্তু আমার আকা, আমি দীর্ঘদ এই চেরাগে একা বন্দি ছিলাম। আপনি যদি কিছু
মনে না করেন, আমি ইচ্ছাপূরণের আগে আপনার সাথে কয়েকবার আদরসোহাগ করতে চাই।’
 

টিনা সানন্দে রাজি হলো। পরদিন ভোরে জ্বিন
বললো,
‘আমার আকা, আপনার বয়স কত?


টিনাঃ ‘সাতাশ।’
যুবকঃ ‘এই বয়সেও আপনি জ্বিনভূত বিশ্বাস করেন?

ম্যাম I Love You

আবুলঃ ম্যাম I Love You……
ম্যাডামঃ কী!!! বেয়াদপ ছেলে.....
আবুলঃ ইয়ে..... ম্যাম I Love You এর মানে কি?? .
ম্যাডামঃ ও আচ্ছা......তাই
বলো......আমি তোমাকে ভালোবাসি।
.
.
আবুলঃ ছি...... ম্যাম এটা কি বলেন!

এক দুষ্ট ছেলের থানায় ফোন

এক দুষ্ট ছেলে থানায় ফোন করেছে।
- এইটা কি পুলিশ স্টেশন?
- হ্যাঁ।
- আপনি কি পুলিশ?
- হ্যাঁ।
- আপনার থানায় বাথরুম আছে?
- হ্যাঁ।
- আপনার বাথরুমে কমোড আছে?
- হ্যাঁ, আছে।
- তাহলে কমোডের মধ্যে মাথা ঢুকাইয়া বইসা থাকেন। এই বলে ছেলেটি ফোন কেটে দিল। কিছুক্ষণ পর পুলিশ নাম্বার বের করে কলব্যাক করল। ছেলেটির বাবা ফোন ধরল। পুলিশ অভিযোগ করল, আপনার ছেলে আমাকে কমোডে মাথা ঢুকিয়ে বসে থাকতে বলেছে।
- কতক্ষণ আগে বলেছে?
- এই ধরেন ১০ মিনিট।
- তাহলে এখন মাথা বের করে ফেলেন।

সপরিবারে দাওয়াত

আবুলঃ  আমাদের দোকানে যে পচা ডিমগুলো ছিলো, সেগুলো কে কিনলো?
কর্মচারীঃ বল্টু  সাহেব।

আবুলঃ গত বছরের পাঁচ কেজি আটা?
কর্মচারীঃ বল্টু  সাহেব।
আবুলঃ আর ঐ মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া সেমাইগুলো?
কর্মচারীঃ
বল্টু সাহেবই সব নিয়ে গেছেন।

এমন সময় আবুলের মুখ কালো হয়ে গেল। কপাল দিয়ে ঘাম ছুটতে লাগলো।
কর্মচারী ভয় পেয়ে জিজ্ঞাস করল-
হুজুর আপনার কি শরীর খারাপ লাগছে?
.
.
.
আবুলঃ না, বল্টু সাহেবের বাসায় আজ
আমার সপরিবারে দাওয়াত আছে।

না নিজে ঘুরতে নিয়ে যায়, না আরেক জনের সাথে ঘুরতে দেয়

এক মহিলা তার প্রেমিকের সাথে ঘুরতে গেছে। এর মাঝে মহিলার স্বামী তা দেখে ফেলে এবং প্রেমিকরে মারা শুরু করে।

তখন মহিলা বলতে থাকেঃ 'মারো গাধাটারে মারো। নিজের wifeরে নিয়ে না ঘুরে আরেক জনের wifeরে নিয়ে ঘুরে।'

হটাৎ প্রেমিকের শক্তি এসে পরে। সেও স্বামীটিকে মারা শুরু করে।

তখন মহিলা বলা শুরু করেঃ 'মারো শালারে মারো। না নিজে ঘুরতে নিয়ে যায়, না আরেক জনের সাথে ঘুরতে দেয় !

আবুল ও বল্টুর পরীক্ষা

বল্টুঃ কী রে দোস্ত, পরীক্ষা কেমন হইলো ?
আবুলঃ পরীক্ষা ভাল হয়নাই রে দোস্ত ! তবে ৫ নম্বর নিশ্চিত পামু ।
বল্টুঃ কেমনে ? 

আবুলঃ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য ছিল ৫ নম্বর ! তাই আমি পরীক্ষার খাতায় কলমের
একটা আচড়ও দেইনাই!!!
বল্টুঃ হায়! সর্বনাশ হইসে- আমি ও তো তোর মতো পরীক্ষার খাতায় কলমের একটা আচড়ও দেইনাই !

আমাদের দুই জনের
খাতাই একই রকম
দেখলে-
স্যার তো মনে করবো আমরা দুজনে নকল
করসি।

আন্টি আমি উঠে যাই আপনি আমার জায়গায় বসেন

এক বাসে একটা সুন্দরী মেয়ে
দাঁড়িয়ে ছিল....
তো ছোট ছেলে বল্টু বলল,
"আন্টি আমি উঠে যাই আপনি আমার জায়গায়
বসে যান!"
এ কথা বলার
সাথে সাথে মেয়েটি বল্টুকে কষে
একটা থাপ্পর দিল!


কিন্তু কেন..?


আরে ভাই বল্টু যে তার বাবার
কোলে বসে ছিল!

এইটার উত্তরও তো একই হবে রে গাধা

আবুলঃ  আব্বা অঙ্ক স্যার আমারে মারছে।
বাবাঃ ক্যান। কি করছস?

আবুলঃ স্যার জিজ্ঞেস করছিল ৭+২= কত?
বাবাঃ পারস নাই?

আবুলঃ আমি বলছি ৯।
বাবাঃ তারপরে?

আবুলঃ স্যার বলেছেন ২+৭= কত?
বাবাঃ এইটার উত্তরও তো একই হবে রে গাধা।

আবুলঃ আরে আমিও তো স্যারকে এই কথাই বললাম। এরপরেও স্যার মাইর দিলেন।

মারামারির অবসান

আবুলঃ  আব্বা আপনি যখন ফেল করতেন তখন দাদা আপনার সাথে কি করতো ?
বাবাঃ কি আর করত ধইরা পিটাইতো !

আবুলঃ আর যখন দাদা ফেল করত তখন?
বাবাঃ তখন উনার বাবা উনাকে মাইর দিতো।

আবুলঃ বাবা ফেইল করছি !! কিন্তু
আপনি যদি আমার সাথে থাকেন আর সাহায্য করেন তাইলে আপনাদের এই খানদানী
মারামারির অবসান ঘটাইতে পারেন।

চকলেট দিলে দেন না দিলে নাইমা যাই

এক মহিলা দুই বাচ্চা নিয়ে বাসে উঠল ।
বাচ্চা দুইটা খালি ক্যা ক্যা, ম্যা ম্যা, ট্যা ট্যা, প্যা প্যা কান্নাকাটি শুরু করল !
তখন মহিলাটি তার বাচ্চাদের কান্না থামাতে বলছে... 
দেখ কান্নাকাটি করোনা, কান্নাকাটি করলে কিন্তু ঐ পাশে যে আঙ্কেল আছে ঐ আঙ্কেল কে তোমাদের
চকলেট গুলো সব দিয়ে দিব !


তো এই কথা সে ক্রমাগত বলে যাচ্ছে ...তো তিন চার স্টপেজ পার হয়ে যাচ্ছে ...
বাচ্চারা কান্নাকাটি করে আর,
সে শুধু বলে চকলেটগুলো ...কিন্তু আঙ্কেল কে দিয়ে দিব !!


তো পাশে থেইক্যা এক
ভদ্রলোক উঠে বলল
.
.
.
.
আপনার জন্য ৪ টা স্টপেজ মিস করলাম ! চকলেট দিলে দেন না দিলে নাইমা যাই ।

বিয়া করলে কি বেশিদিন বাচন যায়

বল্টুঃ  ডাক্তার সাব! বেশীদিন বাচোনের কোন উপায় আছে কি?
ডাক্তারঃ যান বিয়া করেন গিয়া।

বল্টুঃ ক্যান? বিয়া করলে কি বেশিদিন বাচন যায়?
ডাক্তারঃ তা কইবার পারবো না। তবে এইটা বলতে পারি যে আপনি বিয়ার পর আর বেশিদিন বাচনের চেষ্টা করবেন না।

খাঁড়া তোর বাপ রে কইতাছি

বল্টুঃ  “ I LOVE YOU ”
জরিনাঃ আমি তো কুদ্দুছ কে পছন্দ করি!!
বল্টুর মন খারাপ হয়ে গেল
মাটির দিকে তাকাল
এরপর আবার মেয়ের দিকে ফিরল...
আর বলল
|
|
|
|
"খাঁড়া তোর বাপ রে কইতাছি"

আকবরের বেডে ম্যাডাম


ইতিহাস class এ একদিন, ম্যাডাম
পড়াচ্ছেন|
ম্যাডাম: সম্রাট আকবর একদিন
বেডে শুয়ে ছিলেন,
.
ঠিক
তখনি ১টা ছেলে দাড়িয়ে বললো ম্যাডাম
পিছনের ছেলেটা আমাকে ডিস্টার্ব করছে|
ম্যাডাম ঐ ছেলেটাকে বকুনি দিলেন|
ম্যাডাম: আমি যেনো কোথায় ছিলাম?
.
.
আবুল : আকবরের বেডে ম্যাডাম.

বল্টুর স্ত্রী প্রেগন্যান্ট

বল্টুর স্ত্রী প্রেগন্যান্ট তাই ডাক্তার আসলো।

ডাক্তারঃ আপনার এই সময় ভাল ভাল খাবার খেতে হবে, আপনার কি খেতে পছন্দ করেন ?
স্ত্রীঃ আমার......
বল্টুঃ এই যেকোন একটা খাবারের নাম কইয়া দেউ,
.
.
.
ওইটা কইয়ো না।

সাবধান আর নিচে নামিস না

এক শিক্ষক ক্লাসে ছাত্রদের জিজ্ঞেস করেন – এমন জিনেসের নাম বল তো যা ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিতি হয় ।
বল্টুঃ চুল
শিক্ষক – কিভাবে ?
বল্টুঃ মাথায় আমরা বলি চুল , চোখের উপরে থাকলে বলি ভ্রু, ঠোটের উপরে থাকলে বলি গোফ , গালে ও চিবুকে থাকলে বলি দাড়ি । বুকে থাকলে বলি লোম এবং ……

শিক্ষক- সাবধান আর নিচে নামিস না ।

যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে

যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে,
শিক্ষকঃ আমি টেবিল ছুয়েছি, টেবিল মাটি ছুয়েছে, সুতরাং আমি মাটি ছুয়েছি।
এভাবে একটি যুক্তি দেখাওতো।
আবুলঃ  আমি আপনাকে ভালবাসি, আপনি আপনার মেয়েকে ভালবাসেন, সুতরাং আমি আপনার মেয়েকে ভালবাসি।

স্বামী-স্ত্রী রতিক্রিয়া

স্বামী-স্ত্রী রতিক্রিয়ার সময়
------------------------
স্ত্রীঃ আজ তোমার কেমন লাগছে গো?
স্বামীঃ দারুন লাগছে ডার্লিং…
ইচ্ছে করছে তোমার ভিতর চিরদিনের জন্য ঢুকে যাই।

বারান্দা থেকে কাজের বুয়াঃ ঢুকে যাওয়ার আগে আমার টাকাটা দিয়ে যাবেন...।

কৃপণ প্রেম

এক কৃপণ ছেলের সাথে এক কৃপণ মেয়ের প্রেম চলছে....
একদিন রাতে মেয়েটি তার বয়ফ্রেন্ডকে আসতে বলল তার বাসায়....
মেয়েটি বললঃ সবাই ঘুমিয়ে পড়লে আমি উপর থেকে একটা কয়েন ফেলব, তুমি কয়েনের শব্দ
পেলে চুপিচুপি উপরে চলে আসবে।
কথামত রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে মেয়েটি নিচে কয়েন ফেলল। কয়েন পড়ার ঝনঝন শব্দ হল,

কিন্তু বয়ফ্রেন্ডের আসার আর নাম নেই।
প্রায় এক ঘণ্টা পরে চুপিচুপি বয়ফ্রেন্ডের আগমন।


গার্লফ্রেন্ডঃ কী ব্যাপার? এতক্ষণ লাগালে যে? কয়েন ফেলার শব্দ পাওনি?
বয়
ফ্রেন্ডঃ  পেয়েছি তো, কিন্তু অন্ধকারে কয়েনটা খুঁজতে খুঁজতে দেরি হয়ে গেল...।
 

গার্লফ্রেন্ডঃ আরে ধুর, আমি কি অত বোকা?
কয়েনটা তো আমি সুতা দিয়ে বেঁধে
নিচে ফেলে আবার
উপরে তুলে নিয়েছি...!!

4 মিনিটের মাথায় খেলা শেষ

স্বামী & স্ত্রী : ক্রিকেট খেলা দেখছে
তো,
প্রথম উইকেট ৩ বলেই আউট হলো.
দ্বিতীয় উইকেট ৫ বলে আউট হলো.
তৃতীয় উইকেট ২ ওভারে আউট হলো

খেলার এক পর্যায়ে স্বামী চটে :  গিয়ে বললো. .
কি ব্যাটসম্যান মাঠে নামছে 5 মিনিট ও খেলতে পারে না ।

তখন স্ত্রী রেগে : বললো,
বুঝো এখন. !

তুমি যখন 4 মিনিটের মাথায় খেলা শেষ কর তখন আমার ক্যামন লাগে...।

বল্টু ও ম্যডাম

ম্যডামঃ বল্টু , তুমি যদি আমাকে ২ এর নামতা শুনাও তাহলে আদর করব আর ৩ এর নামতা শুলালে কপালে চুমা দিব ।
.
.
.
.
.
বল্টুঃ দশ এক্কে দশ দশ দুগুণা বিশ..............

গার্ল ফ্রেন্ড এর স্বপ্ন

গার্ল ফ্রেন্ডঃ গত রাতে আমি তোমাকে স্বপ্নে দেখেছি

বয়ফ্রেন্ড( ভীষণ উত্তেজিত): আমি কি করছি তোমার স্বপ্নে এসে?


গার্ল ফ্রেন্ডঃ আমরা বাসে করে যাচ্ছিলাম হঠাৎ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়!

সবাই সাঁতার কেটে নিজেদের যান বাঁচাতে বাস্ত ছিল কিন্তু তুমি তখন ও কাকে যেন খুজতেছিলা!

বয়ফ্রেন্ড(খুশি হয়ে): আমি তোমাকেই খুজছিলাম তাই না...?


গার্ল ফ্রেন্ডঃ আরে না, তুমি চিল্লাইতাছিলা
"আরে কন্ডাক্টর শালা কই গেল, দুইটাকা পাইতাম"

বল্টুর রেজাল্ট নিয়ে বাসাই আসা

বল্টুর রেজাল্ট দেওয়ার আগের দিন বল্টুর বাবা "আসিফ সাহেব" বল্টু কে বলছে।
তুই যদি এইবার ফেল করিস তাহলে আমাকে আর বাবা বলে ডাকবিনা...।



পরদিন বল্টু রেজাল্ট নিয়ে বাসাই আসলো।
বাবাঃ তোর রেজাল্ট কি হইছে...?
বল্টুঃ কি আর বলবো "আসিফ ভাই"

বল্টুর রেজাল্ট

বল্টুর রেজাল্ট দিছে তো বল্টুর বাবা জানতে চাইল কি অবস্থা।
বাবাঃ তোর রেজাল্ট কি হইছে...?
বল্টুঃ বাবা আমার সাথে আবুল পড়ে, তার বাবা ডাক্তার, সে ফেল করিছে।
বাবাঃ ও তাই, তা তোর কি হইছে...?
বল্টুঃ বাবা আমার সাথে মন্টু ও পরে, ওর বাবা ইঞ্জিনিয়ার, সে ও ফেল করছে।
বাবাঃ রেগে গিয়ে, আমি তোর টা জানতে চাইছি।
বল্টুঃ আমি কি ভগবান এর ছেলে...।

আবুল ও বল্টু

বল্টু : আচ্ছা আবুল বলতো, মোবাইল ফোন আর বিয়ে  এ দুটির মধ্য কি সাদৃশ্য পাওয়া যায় ?
আবুল : সারাক্ষনই মনে হয়, আর কিছুদিন অপেক্ষা করলে এরচেয়েও ভাল মডেল পাওয়া যেত।

শিক্ষক ও ছাত্রের কথোপকথন

শিক্ষক : এই ছেলে , তুমি স্কুলে বিড়াল এনেছো কেনো?
ছাত্রঃ স্যার, আজ সকালে স্কুলে আসার সময় শুনলাম আমার বাবা খালামনিকে বলছে
"i will eat that pussy ( !! ) when my son will go to school"
আমি আমার বিড়ালটাকে খুব ভালবাসি! তাই আমি ভয়ে বিড়াল টা সাথে করে নিয়ে এসেছি যেন বাবা ওকে না খুঁজে পায়!

আবুলের রক্ত পরীক্ষার

রক্ত পরীক্ষার পর নার্স আবুলের আঙ্গুল মুখে নিয়ে চুষে দিচ্ছে (রক্ত বন্ধের জন্য)।
তা দেখে আবুলের খুশীতে লাফ দেয়া শুরু করল।
নার্সঃ কি হইছে, এত খুশী কেন ?
আবুলঃ পরেরটা ইউরিন টেস্ট ! তাই !

বাসর রাতে

বাসর রাতে স্বামী বউয়ের চোখে বারবার চুমু দিচ্ছে
বউ বলল : “ বারবার চোখে চুমু দিচ্ছ কেন?”
স্বাম : “ তোমার চোখ হলো আমার কাছে ভালোবাসার বই,শুধু পাঠ করতে মন চায়”
বউ : “ নিচে লাইব্রেরীতে আগুন জ্বলছে,আর তুমি বই নিয়ে ব্যস্ত”!!!!

এক প্যাকেট বেনসন দিন

১৪ বছরের একটা ছেলে গেল দোকানে।
ছেলেঃ মামা এক প্যাকেট বিড়ি দিন তো।।
দোকান দারঃ এই বয়সে বিড়ি খাওয়া ধরছিস।।
ছেলেঃ আরে না, বিড়ি তো আমার ছোট ভাইয়ের। আমাকে এক প্যাকেট বেনসন দিন।

বল্টুর উদাহরণ

বাংলা ব্যাকরণ পড়ানোর সময় শিক্ষক বল্টুকে অন্যমনস্ক দেখে বললেন,
শিক্ষকঃ বল্টু, সর্বনাম পদের দুইটা উদাহরণ দাও।
বল্টুঃ হচকচিয়ে দাঁড়িয়ে বললো, ‘কে? আমি?’
শিক্ষক: গুড, হয়েছে। বসো।

স্ত্রীর পরীক্ষা

স্ত্রী : ওগো আমি মারা গেলে তুমি কাঁদবে না ?
স্বামী : অবশ্যই কাঁদব।
স্ত্রী : আমার বিশ্বাস হয় না।
স্বামী : বেশ পরীক্ষা হয়ে যাক।

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথোপকথন

স্বামী: পাশের ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে একটু চিনি নিয়ে এসো তো?
স্ত্রী: ওরা আমাদের চিনি দেবে না।
স্বামী: ওরা তো খুব কঞ্জুস!
স্ত্রী: ওদের কিপ্টেমির কথা আর বোলো না।
স্বামী: তাহলে আর কী করা; আমাদের আলমারি থেকেই চিনি বের করে চা করে নিয়ে এসো যাও।

আবুলের ঝগড়া

বল্টুঃ  তুই তোর বউর সাথে ঝগড়া করিস?
আবুলঃ  হ্যাঁ, করি। তবে প্রতিবার ঝগড়ার শেষে ও এসে হাঁটু গেড়ে আমার সামনে বসে পড়ে।
বল্টুঃ  বলিস কী! তারপর?
আবুলঃ  তারপর মাথা ঝুঁকিয়ে বলে, ‘খাটের তলা থেকে বেরিয়ে আসো। আর মারব না।

বউ এর জ্বর

আবুলের বউ অসুস্থ তাই ডাক্তার আসলো...।

ডাক্তারঃ এই থার্মোমিটারটা আপনার স্ত্রীর মুখের নিচে দিয়ে আধমিনিট মুখ বন্ধ করে রাখতে বলবেন। তাহলেই জ্বর কত সেটা টের পাওয়া যাবে।
আবুলঃ  ডাক্তার সাহেব, সারা দিন রাখতে হয় এমন কোনো থার্মোমিটার নেই?

আবুলের ২০টি বছর সুখী জীবনযাপন

আবুল ও বল্টুর মধ্যে কথা হচ্ছে--
আবুলঃ জানিস বল্টু আমি আর আমার স্ত্রী জীবনের ২০টি বছর সুখী জীবনযাপন করেছি।
বল্টুঃ  তারপর...?
আবুলঃ  তারপর আর কি ! ২০ বছর পর আমাদের দুজনের আজ দেখা হলো!

বল্টুর স্ট্যাটাস

বল্টু তার ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলো,
ও মাই ডিয়ার হরতাল , প্লিজ কাম সুন। আই মিস ইউ সো মাচ...।

 -ইতি
ককটেল ব্যবসায়ী বল্টু

বল্টু ডাক্তার এর কাছে গেল

বল্টু ডাক্তার এর কাছে গেল...।

বল্টুঃ ডাক্তার সাহেব আমি রোজ ৫০ টাকার করে ঔষধ খাচ্ছি কিন্তু কোন লাভ হচ্ছেনা,
কি করি বলুন তো...।
ডাক্তারঃ রোজ ৪০ টাকার করে ঔষধ খান, ১০ টাকা করে লাভ...।

শালি ও দুলাভাই


শালিঃ দুলাভাই আপনি একটু ঘুরে দাড়ান আমি ড্রেস খুলে অন্য একটা ড্রেস পরবো আর আপনি বলবেন যে কোনটি ভালো দেখাই।

ড্রেস বদলানোর পর...।
শালিঃ দুলাভাই কোনটা ?

দুলাভাইঃ ড্রেস বদলানর মধ্যবর্তি অবস্তাই...।

আবুল ও বল্টু

আবুলঃ জানিস বল্টু, কাল আমার বউ এর চোখে একদানা বালি পড়ছিল,
আর তাতে আমার ৫০ টাকা গেল।
বল্টুঃ বলিস কি...! এ তো কিছুই না।
আজ সকালে মার্কেট গিয়ে আমার বউ এর চোখে একটা শাড়ি পড়ল,
আর তাতে আমার ৫০০ টাকা গেল।

সরকার

আবুলঃ বাবা সরকার কি?
বাবাঃ আমি ঘর চালাই আমি সরকারী দল। তোর মা খালি ঘ্যান ঘ্যান করে, তোর মা বিরোধী দল। তুই জনগন। তোর ছোট বোন মুন্নি দেশের ভবিষ্যত । আর কাজের মেয়ে ময়না শোষিত শ্রেনী।
এরপর মামা ফোন করলেন....
মামাঃ কিরে সবার খবর কি?
আবুলঃ সরকার ঘুমাচ্ছে। বিরোধীদল তার সুবিধামত আছে।ভবিষ্যত কাঁদছে। শোষিত শ্রেনী শোষিত হচ্ছে। আর জনগন তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে।

১০০ টাকাই 5star হোটেলে খাওয়া


আবুল ভিক্ষা করে ১০০ টাকা আয়করেই
চলেগেল একটা 5star হোটেলে।
খাওয়া দাওয়ার পর বিল হল ৩৫১০ টাকা।
আবুলের কাছে অত টাকা না থাকায় ম্যানেজার
তাকে পুলিশে দিল।



আবুল বেচারা পুলিশকে সেই ভিক্ষা করা ৫০ টাকা ঘুষ
দিয়ে বেরহয়ে আসল।

গরু সবচেয়ে দ্রুত উড়তে পারে


শিক্ষকঃ কোন পাখি সবচেয়ে দ্রুত উড়তে পারে ?
ছাত্রঃ "গরু"

শিক্ষকঃ অপদার্থ; তোর বাপ কি করে রে ?
ছাত্রঃ কালা-জাহাঙ্গির গ্যাং এর বেস্ট Shooter !

শিক্ষকঃ সাবাশ ব্যাটা ! 100% সঠিক উত্তর হল "গরু"

নতুন ঘড়িতে লাইট জ্বলে

ছাত্রীঃ স্যার, দরজা জানালা বন্ধ করে দিন!
স্যারঃ কেন ?
ছাত্রীঃ আপনাকে একটা চমৎকার জিনিস দেখাব!
স্যারঃ সত্যি ? (অবাক হয়ে)
ছাত্রীঃ হ্যাঁ, আগে দরজা জানালা সবকিছু বন্ধ করে দিন, যাতে আলো না আসে!
স্যারঃ তারপর?
ছাত্রীঃ আমার কাছে আসেন।
স্যারঃ ওহ!! তারপর ? আর কি করবো বলো ?
...
......
.........
...........
ছাত্রীঃ স্যার, এবার দেখেন। আমার
নতুন ঘড়িতে লাইট জ্বলে!

আবুল শিক্ষকের কাছে অঙ্ক শিখতে গেছে

আবুল: স্যার, আমি পঞ্চান্ন কিভাবে লিখব?
শিক্ষকঃ দুইটা পাঁচ পাশাপাশি লিখলেই পঞ্চান্ন হয়।

খানিক পর শিক্ষক দেখলেন,
আবুল একটা পাঁচলিখে বসে মাথা চুলকাচ্ছে।

শিক্ষকঃ কী হলো, আবুল?

আবুল: মস্ত বিপদে পড়েছি।আরেকটা পাঁচ কোন পাশে বসাবো বুঝতে পারছি

খুব ভালো র্ভাসিটি


আবুল এক র্ভাসিটিতে MBA এর ফর্ম কিনতে গিয়ে সেখানে দারোয়ানকে জিজ্ঞাসা করলো,
এই র্ভাসিটিটা কেমন?

দারোয়ান: খুব ভালো র্ভাসিটি
.
.
.
.
.
.
আমিও এখান থেকে MBA করেছি!!!!

ট্রেনের নাম

ট্রেনের নাম যদি হিন্দি নায়িকাদের নামে হত তাহলে খবরের
কাগজে নিউজ এমন হত-

※আজ বিপাশা ওভার লোড হয়ে গেছে!!!

※চলতে চলতে কারিনা হঠাৎ থেমে গেছে!!!!

※দীপিকার নীচে পরে একজন নিহত!!!!!

※সোনাক্ষীর পিছনের বগি ছুটে গেছে!!!!

※বিদ্যার বডি চেঞ্জ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হল!!!!

※স্পিডে চলার কারনে অসিন লাইন চ্যুত !!!!

※জেরিন ও রানির মাঝে চাপা পড়ে এক যুবক নিহত!!!!

※ সোনমের নীচে এক পাগলের আত্মহত্যা.

※ ক্যাটরিনার উপর অবৈধ ভাবে চড়ার জন্য তিনজন গ্রেফতার.....

মেক আপ

এক চিত্রনায়িকা গেছেন
ডাক্তারের কাছে।

ডাক্তার: বাহ্ ! আপনার ওজন
তো দেখছি আগের চেয়ে এক কেজি কমেছে!

চিত্রনায়িকা: হু, এমনটাই হওয়ার কথা।

ডাক্তার: কেন? কিভাবে ?
!
!
!
!
!
!
চিত্রনায়িকা: কারণ, আমি আজকে মেকআপ করিনি

Propose

প্রেমিকা : জানু ,আজ তো ভেলেন্টাইন্স ডে,
আমাকে এমন ভাবে Propose
করো যেভাবে আজ পর্যন্ত কোন
ছেলে কোন মেয়ে কে করেনি
.
.
.
.
.
.
.
প্রেমিক : হারামজাদি, কুত্তি ,
কলংকিনি, শয়তানের শয়তান আই লাভ
ইউ চো মাচ আমাকে বিয়ে করে আমার
জীবন ধ্বংশ করে দে ডাইনি...!!

যে কারণে বড়লোকের বাড়িতে যেতে হয় না...

প্রশ্ন: কী দেব বলেন—ফলের জুস, চা,
কফি, সফট
ড্রিংকস নাকি অন্য কিছু?
উত্তর: চা।
প্রশ্ন: সাধারণ, নাকি হারবাল? গ্রিন টি, নাকি আইস টি?
উত্তর: সাধারণ চা।
প্রশ্ন: লাল চা, নাকি দুধ চা?
উত্তর: দুধ চা।
প্রশ্ন: গরুর দুধ, ছাগলের দুধ, নাকি উটের দুধের?
উত্তর: গরুর দুধের।
প্রশ্ন: ঠান্ডা, নাকি গরম?
উত্তর: গরম।
প্রশ্ন: ফুলক্রিম, লো ফ্যাট, নাকি ফ্যাট ফ্রি?
উত্তর: উমমমম...তারচেয় বরং লাল
চা-ই দিন।
প্রশ্ন: চিনি, নাকি মধু দেব?
উত্তর: চিনি দিন দয়া করে।
প্রশ্ন: ক্যান সুগার, নাকি বিট সুগার?
উত্তর: ক্যান সুগারই দিন।
প্রশ্ন: সাদা, বাদামি, নাকি হলুদ চিনি?
উত্তর: থাক ভাই, চা লাগবে না! আপনি আমাকে এক গেলাস পানি দিন!
প্রশ্ন: মিনারেল, নাকি নরমাল?
উত্তর: মিনারেল।
প্রশ্ন: ফ্লেভারড, নাকি নন ফ্লেভারড?
উত্তর: ভাই রে, অত কিছু বুঝি না! আপনি আমাকে নদীর পানিই দিন!

ড্রাইভারের নজর

নতুন বউকে নিয়ে বেড়াতে যাচ্ছেন সরদারজি।
ট্যাক্সিতে পেছনের সিটে বসে স্বামী-স্ত্রীতে ­ ­চলছেমধুর আলাপ!
এমন সময় লক্ষ করলেন, ড্রাইভার ব্যাটা গাড়ির
আয়নায় বারবার তাঁর স্ত্রীর দিকে তাকাচ্ছে।

ভীষণ খেপে গেলেন সরদারজি। বললেন, 
‘এই ব্যাটা, অমন মিটমিট
করে বারবার কী দেখিস? 

দাঁড়া, তোর দেখা আমি বার করছি।
তুই পেছনে এসে বস, আমিই গাড়ি চালাব !!!

ভ্রমণ

স্ত্রীঃআমি চিন্তা করতেছি এইবার আমরা দুবাই , সিংগাপুর, ইংল্যান্ড
ঘুরতে যাব কেমন টাকা লাগবে??
বল্টু:কোন টাকাই লাগবেনা!!
স্ত্রীঃকিভাবে??
.
.
.
.
.
বল্টু:আরে চিন্তা করতে টাকা লাগেনা!!!!

আবুলের স্ট্যাডি

আবুল পাহাড়ের উপর ওঠে পড়াশুনা করছে।
জিজ্ঞাস করলাম, “এখানে কেন পড়াশুনা করছো”
উত্তর, “বাবা বলেছে হাইয়ার স্ট্যাডি করতে”

বল্টু'র জবাব

স্যার:  বলত মেয়েরা বিয়ের সময় লাল শাড়ি পড়েকেন??
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
বল্টু:  সংসারে ঢুকার আগে এক নম্বর বিপদসংকেত জানিয়ে দেওয়ার জন্য।

মাতালের লেকচার

পুলিশ এক মাতালকে ধরেছে....
পুলিশঃ কোথায় যাচ্ছিস?
মাতালঃ মদ খাওয়া যে ক্ষতিকারক তার
সম্বন্ধে লেকচার শুনতে যাইতাছি..
পুলিশঃ এত রাত্রে কে লেকচার দিবে ?!
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
মাতালঃ আমার বউ!!

আবুলের বউ

বাবা-মা কে না জানিয়ে আবুল বিয়ে করে বউ নিয়ে বাড়ি ফিরেছে। বউ দেখেই বাবার চক্ষু চড়কগাছ। মেয়ে দেখতে মোটেই সুন্দরী নয়।
বাবা আবুল পাশের ঘরে ডেকে ফিসফিস করে বলছেন,তুই এটা কী করলি, রাস্তা থেকে একটা মেয়ে ধরে এনে বিয়ে করলি?এ মেয়ের না আছে রূপ,না আছে সৌন্দর্য!
একটা ভালো দেখে মেয়ে বিয়ে করতি আমার আফসোস থাকত না।








আবুল বললো, এত আস্তে বলার কোন দরকার নেই বাবা, জোরে বল।
এই মেয়ে কানেও একটু কম শোনে ..!!

হারানো স্ত্রী

মার্কেটে কেনাকাটার সময় এক ভদ্রমহিলাকে বলছে বল্টু,
 ‘এই যে শুনুন।’
ভদ্রমহিলাঃ বলুন
বল্টুঃ এখানে এসে আমি আমার স্ত্রীকে হারিয়ে ফেলেছি।
আমি কি আপনার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলতে পারি?
ভদ্রমহিলাঃ স্ত্রীকে হারিয়ে ফেলেছেন
তো আমার সঙ্গে কথা বলতে চাইছেন কেন?
.
.
.
.
.
বল্টুঃ না মানে…আমি লক্ষ করেছি, যখনই আমি কোনো অপরিচিত নারীর
সঙ্গে কথা বলতে নিই, তখনই কোথা থেকে যেন 

আমার স্ত্রী এসে হাজির হয়....!

Marketing

এক প্রফেসর MBA এর ছাত্রদের মার্কেটিং সম্পর্কে বোঝাচ্ছেঃ
১.একটা সুন্দরি মেয়েকে পার্টি তে দেখে তার কাছে গিয়ে বললে,"আমি ধনী আমাকে বিয়ে কর" এটা ডাইরেক্ট মার্কেটিং
২.পার্টিতে তোমার বন্ধু কোন মেয়ের কাছে গিয়ে তোমাকে দেখিয়ে বলল " এ ধনী একে বিয়ে কর" এটা বিজ্ঞাপন
৩.তুমি বললে " আমি অনেক ধনী আমাকে বিয়ে কর আর সে কইসা একটা থাপ্পর দিল সেইটা হইল কাস্টমার ফিডব্যাক!
৪তুমি বললে আমি ধনী, আমাকে বিয়ে কর, আর সে তার স্বামী এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিল সেটা হল " ডিমান্ড আর সাপ্লাই গ্যাপ "

প্রতিদান পাওয়া

একটা অ্যাক্সিডেন্টে ভয়ানকভাবে পুড়ে গেছেন এক সুন্দরী মহিলা। সারা শরীর ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তাঁর, কিন্তু সবচে বাজে অবস্থা মুখের। ডাক্তার মহিলার স্বামীকে জানালেন, কসমেটিক সার্জারি করতে হবে। অন্য কোথাও থেকে চামড়া এনে মহিলার মুখে বসাতে হবে। মহিলার নিজের শরীরের চামড়া এ অবস্থায় সরানো সম্ভব নয়, সমস্যা হতে পারে।

স্বামী ভদ্রলোক তখন তাঁর শরীর থেকে চামড়া নেয়ার প্রস্তাব দিলেন। ডাক্তার রাজি হলেন, এবং ভদ্রলোকের নিতম্ব থেকে চামড়া তুলে ভদ্রমহিলার মুখে বসালেন। অবশ্য এই দম্পতি ডাক্তারকে অনুরোধ জানালেন গোটা ব্যাপারটা গোপন রাখার জন্যে।

অপারেশন শেষে দেখা গেলো, মহিলাকে আরো সুন্দরী দেখাচ্ছে। আত্মীয়স্বজন তো তাঁকে দেখে অবাক, এতো চমৎকার অপারেশনের জন্যে ডাক্তারকে প্রচুর ধন্যবাদ জানিয়ে বাড়ি ফিরে এলেন সে দম্পতি।

কিছুদিন পর নিরালায় মহিলা ধন্যবাদ জানালেন তাঁর স্বামীকে। ‘তুমি আমার জন্যে যা করলে, তা আমি জীবনে ভুলতে পারবো না গো, এর প্রতিদান আমি দিতে পারবো না।’ গদগদ হয়ে বললেন মহিলা।

স্বামী তাঁকে একহাতে জড়িয়ে ধরে বললেন, ‘ও কিচ্ছু না, লক্ষীটি। আর তোমার প্রতিদান দিতেও হবে না। যতবার তোমার মা এসে তোমার গালে চুমো খায়, আমার প্রতিদান পাওয়া হয়ে যায়।’

যত বেশি ঘষবেন..........

ছোট্ট বাবুদের ক্লাসে ঢুকে মিস দেখলেন, বোর্ডে ক্ষুদে হরফে পুরুষদের বিশেষ প্রত্যঙ্গটির কথ্য নামটি লেখা।

ভীষণ চটে গিয়ে চেঁচিয়ে উঠলেন তিনি, 'কে লিখেছে এটা?'

কেউ উত্তর দিলো না। মিস তড়িঘড়ি করে সেটা ডাস্টার দিয়ে ঘষে মুছে ফেললেন।

পরদিন আবার ক্লাসে একই কান্ড, এবার শব্দটি আরেকটু বড় হরফে লেখা। আবারও ক্ষেপলেন মিস, 'কে লিখেছে এটা?'

কেউ উত্তর দিলো না। মিস আবার সেটা ডাস্টার দিয়ে ঘষে মুছে ফেললেন।

পরদিন আবার ক্লাসে একই কান্ড, এবার শব্দটি আরো একটু বড় হরফে লেখা। মিস কিছু না বলে শুধু ডাস্টার ঘষে মুছে দিলেন লেখাটা।

তার পরদিন আবারও একই কান্ড, এবার গোটা বোর্ড জুড়ে শব্দটি লেখা। মিস বহুকষ্টে মেজাজ ঠিক রেখে ডাস্টার ঘষে লেখাটা মুছলেন।

তার পরদিন ক্লাসে এসে মিস দেখলেন, বোর্ডে লেখা: যত বেশি ঘষবেন, এটা ততই বাড়বে।

ফোন নাম্বার লিখে রাখলেন

ছোট্ট বাবুর ক্লাসে নতুন শিক্ষিকা মিস মিলি এসেছেন। তিনি প্রথমেই সকলের সঙ্গে পরিচিত হবেন। কাজেই বাচ্চাদের দিকে তাকিয়ে মিষ্টি করে বললেন, 'ছোট্ট সুজি, তোমার বাবা মা কী করেন?'

'আমার বাবা একজন বিজ্ঞানী, আর মা একজন ডাক্তার।'

মিষ্টি হেসে মিস মিলি বললেন, 'ছোট্ট টুনি, তোমার বাবা মা কী করেন?'

'আমার বাবা একজন শিক্ষক, আর মা একজন উকিল।'

'বাহ! ছোট্ট বাবু, তোমার বাবা মা কী করেন?'

বাবু বলল, 'আমার বাবা মারা গেছেন, আর মা একজন পতিতা।'

মিস মিলি রেগে আগুন হয়ে প্রিন্সিপালের কাছে পাঠালেন বাবুকে। মিনিট পাঁচেক পর ছোট্ট বাবু ফিরে এল।

'তুমি প্রিন্সিপালকে বলেছ, তুমি আমার সঙ্গে কেমন আচরণ করেছ?'

'জ্বি মিস।' বলল বাবু।

'তিনি কী বললেন?'

'বললেন, আমাদের সমাজে কোনও কাজই তুচ্ছ নয়। তারপর আমাকে একটা আপেল খেতে দিলেন, আর বাসার ফোন নাম্বার লিখে রাখলেন।'

ওগো, থামো, আর না

এক ফরাসী, এক ইতালীয় আর এক বাঙালি ট্রেনে বসে নিজেদের বিবাহিত জীবন নিয়ে গল্প করছে।

ফরাসী বলছে, 'গত রাতে আমার বউকে চারবার আদরসোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।'

ইতালীয় বলছে, 'গত রাতে আমার বউকে ছয়বার আদরসোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।'

বাঙালি চুপ করে আছে দেখে ফরাসী তাকে প্রশ্ন করলো, 'তা তুমি গত রাতে তোমার বউকে ক'বার আদরসোহাগ করেছো?

বাঙালি বললো, 'একবার।'

ইতালীয় মুচকি হেসে বললো, 'তোমার বউ সকালে তোমাকে কী বললো?'

'ওগো, থামো, আর না ...।' 

ইন্টারকম

প্রথম দিন ডেট সেরে বান্ধবীকে রাতের বেলা বাড়ি পৌঁছে দিতে এসেছে বাবু। দরজার পাশে দেয়ালে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে বললো সে, ‘সোনা, একটা চুমো খেতে দাও আমাকে।’

‘কী? তুমি পাগল হলে? এখানে দাঁড়িয়ে ? না না না!’

‘আরে কেউ দেখবে না। এসো, একটা চুমো।’

‘না না, খুব ঝামেলা হবে কেউ দেখে ফেললে।’

‘আরে জলদি করে খাবো, কে দেখবে?’

‘না না, কক্ষণো এভাবে আমি চুমো খেতে পারবো না।’

‘আরে এসো তো, আমি জানি তুমিও চাইছো --- খামোকা এমন করে না লক্ষ্মী!’

এমন সময় দরজা খুলে গেলো, বান্ধবীর ছোট বোন ঘুম ঘুম চোখে দাঁড়িয়ে। চোখ ডলতে ডলতে সে বললো, ‘আপু, বাবা বলেছে, হয় তুমি চুমো খাও, নয়তো আমি চুমো খাই, নয়তো বাবা নিজেই নিচে নেমে এসে লোকটাকে চুমো খাবে --- কিন্তু তোমার বন্ধু যাতে আল্লার ওয়াস্তে ইন্টারকম থেকে হাতটা সরায়।’

Mom N 3 Daughters

কোনো এক পশ্চিমী দেশে এক ভদ্রমহিলার তিন-তিনটি অবিবাহিতা মেয়ে।

অনেক দিন চেষ্টা করেও কিছু না হওয়ার পরে হঠাৎ করেই তিন মেয়ের খুব অল্প সময়ের মধ্যে বিয়ে ঠিক হয়ে গেলো।

ভদ্রমহিলা মেয়েদের দাম্পত্যজীবন (?) নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেলেন।তাই তিনি মেয়েদের বললেন যে প্রত্যেকে যেনো হানিমুন থেকে অল্প কথায় কিছু লিখে তাকে পোস্টকার্ড পাঠায়।যাতে তিনি বুঝতে পারেন যে মেয়েদের হানিমুন কেমন চলছে।

বিয়ের দু’দিন পরে প্রথম মেয়ে হাওয়াই থেকে পোস্টকার্ড পাঠাল। তাতে শুধু লেখা – “Nescafe”!!!!

প্রথমে বেশ অবাক হলেও, কিছুক্ষন বাদে তিনি কিচেনে গিয়ে Nescafe – এর জার বের করলেন।দেখলেন তার গায়ে লেখা – “Good till the last drop”….তিনি একটু লজ্জা পেলেও, মেয়ের খবরে আনন্দ পেলেন।

বিয়ের এক হপ্তা পরে পরের মেয়েটি ভারমন্ট থেকে পোস্টকার্ড পাঠাল।তাতে লেখা – “Rothmans”!!!!

এবার তিনি আর ঘাবড়ালেন না। একটা Rothmans এর প্যাকেট নিয়ে দেখলেন তাতে লেখা – “Extra Long. King Size”….।আবার তিনি একটু লজ্জা পেলেও, আনন্দিত হলেন।

সবচেয়ে ছোটো মেয়েটি গেছিল কেপ-টাউন।তার চিঠি কিছুতেই আসে না।এক মাসের শেষে তারচিঠি এল।তাতে খুব কাঁপা-কাঁপা হাতে লেখা – “South African Airways”!!!!

ভদ্রমহিলা জলদি লেটেস্ট একটা ম্যাগাজিন বের করে South African Airways -এর এডটা দেখলেন।দেখামাত্র তিনি সেন্সলেস হয়ে পড়লেন।এডটার নিচে লেখা – “Ten times a day, seven days a week, both ways”!!!!!!!!

বলতো 143 এর মানে কি?

ছেলে : বলতো “143” এর মানে কি ???
মেয়ে : “I LOVE YOU”
ছেলে : হয় নি.
মেয়ে : “I LIKE YOU”
ছেলে : তাও হয় নি.
মেয়ে : “I HATE YOU”
ছেলে : না এটাও না.
মেয়ে : “I KILL YOU”
ছেলে : হয় নি.
মেয়ে : তাহলে এর মানে কি???
ছেলে : ONE HUNDRED FORTY THREE!!!!!
নাম্বারও শিখ নি!!!! মূর্খ কোথাকার!!!!!!

Wife VS Girl Friend

বউ আর গার্লফ্রেন্ড এর ভিতর পার্থক্য??



বউ হচ্ছে TV আর
গার্লফ্রেন্ড
হচ্ছে MOBILE!


বাসায়
থাকলে টিভি দেখেন,
আর
বাইরে গেলে মোবাইল!



TV সারাজিবন
ফ্রি সার্ভিস দেয়,
মোবাইল
চালাইতে গেলে টাকা লাগে



TV বড়, মোটা, ওজন
বেশি! মোবাইল
কিউট,
স্লিম, ওজন কম, Portable!


TV তে রিমোট থাকে,
মোবাইল এ
থাকে না।


মোবাইলে এ দুই পাস
থেকে কথা বলা ও
শোনা যায়, TV
তে খালি শুনতে হয়,
বলার কিচ্চু
নাই!


সবার শেষে TV তে কোন
ভাইরাস নাই!
মোবাইলে এ
মাঝে মাঝেই ভাইরাস
আসে! ।!

ছাকিপ খান

ছাকিপ খানঃ দাক্তার ছাব, আমার মায় বাচব তো??

ডাক্তারঃ খুব দ্রুত অপারেশন করতে হবে। অপারেশনের জন্য ৪০ লাখ টাকা লাগবে।

ছাকিপ খানঃ আপ্নে কুনু চিন্তা করবেন
না দাক্তার ছাব! আমি রিকশা চালাইয়া, ইট ভাইঙ্গা, ঠেলাগাড়ি ঠেইল্যা ২ দিনের মইধ্যে আপ্নের সব ট!কা জোগাড় করুম!!!
>
>
>
>
>
>
>
>
>
ডাক্তারঃ আগে কোবি তো! তাইলে এত টাকা খরচ কইরা ডাক্তারী না পইড়া ঠেলাগাড়ি ঠেলতাম..

টিভির উপস্থাপিকা

টিভির এক চ্যানেলে গতানুগতিক লাইভ প্রোগ্রাম হচ্ছে....

উপস্থাপিকাঃ "হ্যালো, আপনি কোথা থেকে কল করছেন??"
কলারঃ "ঢাকা থেকে"
উপস্থাপিকাঃ "ঢাকার কোথা থেকে?"
কলারঃ "লালমাটিয়া"
উপস্থাপিকাঃ "ওয়াও! আমিও লালমাটিয়াতে থাকি! লালমাটিয়ার কোথায় থাকেন আপনি?"
কলারঃ "আমিনুদ্দি এপার্টমেন্টে"
উপস্থাপিকাঃ "কি আশ্চর্য!! আমিও তো ওই এপার্টমেন্টে থাকি!! আপনার ফ্ল্যাট নাম্বার কত??"
.
.
.
.
.
.
.
.
.
কলারঃ "আরে উজবুক!! আমি তোমার স্বামী!! বাসার চাবি তুমি কোথায় রেখে গেছো ???!!!"